• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কিসের লকডাউন ! পাত্তা না দিয়েই বাজারে ব্যস্ত বর্ধমানের মানুষ ! তিল ধারণের ঠাঁই নেই !

কিসের লকডাউন ! পাত্তা না দিয়েই বাজারে ব্যস্ত বর্ধমানের মানুষ ! তিল ধারণের ঠাঁই নেই !

মাত্র চার দিনে দেশের আরও ৮০টি জেলায় ছড়িয়ে গেল করোনা সংক্রমণ৷ এর ফলে এখনও পর্যন্ত দেশের ৩৬৪টি জেলায় করোনা রোগীর খোঁজ মিলল৷ দেশে মোট ৭১৮টি জেলা রয়েছে৷ যার অর্থ, অর্ধেক ভারত জুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস৷ PHOTO- FILE

মাত্র চার দিনে দেশের আরও ৮০টি জেলায় ছড়িয়ে গেল করোনা সংক্রমণ৷ এর ফলে এখনও পর্যন্ত দেশের ৩৬৪টি জেলায় করোনা রোগীর খোঁজ মিলল৷ দেশে মোট ৭১৮টি জেলা রয়েছে৷ যার অর্থ, অর্ধেক ভারত জুড়ে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস৷ PHOTO- FILE

প্রতিদিনই ভোর থেকে এই রকম ভিড় হয়। দু তিন ঘন্টা এই ভিড় থাকে।

  • Share this:

#বর্ধমান: পিল পিল করছে মানুষ। ঠাসাঠাসি ভিড়। চোখ কপালে ওঠার মতো। মনে হতেই পারে, কোনও বড় রাজনৈতিক দল বিশাল সমাবেশের ডাক দিয়েছে। চারদিকে শুধুই মানুষের মাথার মিছিল। তিল ধারণের জায়গা নেই এতটুকুও। কিন্তু সাত সকালে এতো ভিড় কিসের?  লক ডাউন উপেক্ষা করে কোথায় এক সঙ্গে এতো পুরুষ মহিলা জমায়েত হচ্ছেন!

এ ছবি অন্য কোনও দেশের নয়। এই ছবি আমাদের দেশের। এ ছবি এ রাজ্যের বর্ধমানের। দেখলে মনে হতেই পারে লক ডাউন বোধহয় একটু আগে তুলে নিয়েছে কেন্দ্র, সেই আনন্দে হাঁফ ছেড়ে রাস্তায় দলে দলে পুরুষ মহিলারা নেমে এসেছেন। কিংবা ভাবা যেতেই পারে এই এলাকা কি লক ডাউনের আওতার বাইরে! বর্ধমান শহর লাগোয়া পলেমপুরে প্রতিদিনই বসছে এমন বাজার। ভোর হতেই সেখানে মাঠের ফসল নিয়ে আসছেন কৃষকরা। সেই ফসল কিনতে আসছেন খুচরো বিক্রেতা থেকে শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দা সকলেই।

বর্ধমান শহর ছাড়িয়ে আরামবাগ যাওয়ার রাস্তা ধরে কিছুটা গেলেই দামোদর নদের ওপর কৃষক সেতু। সেই সেতু পার হলেই পলেমপুর। আগে রাস্তার দু দিকে বাজার বসতো। দুর্ঘটনার আশংকায় আরামবাগ যেতে রাস্তার ডানদিকে বাজার বসার জায়গা করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে সেই বাজারে গিয়ে দেখা গেল কম করে পাঁচ ছ হাজার পুরুষ মহিলা ভিড় করেছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও তাগিদ নেই কারো মধ্যেই। মাস্ক নেই বেশিরভাগের মুখেই। ফেস কভার বা মাউথ কভার পর্যন্ত নেই। কোনও রকম সাবধানতা ছাড়াই গায়ে গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে বাজার করছেন বাসিন্দারা। চলছে বাজারের মাঝে গল্পগুজব। করোনা নামক মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশ জুড়ে লক ডাউন চলছে একথা বোধহয় ভুলেই গেছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।

বাসিন্দারা বললেন, প্রতিদিনই ভোর থেকে এই রকম ভিড় হয়। দু তিন ঘন্টা এই ভিড় থাকে। তারপর ক্রমশ সেই ভিড় কমে। মাঠে উৎপন্ন হওয়া সবজি বিক্রি করে বাড়ি ফিরে যান কৃষকরা। প্রথম প্রথম পুলিশের পক্ষ থেকে বিক্রেতাদের জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। নজরদারি চলছিল। এখন বিক্রেতার সংখ্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। পুলিশ যখন আসে ততক্ষণে বাজার উঠে যায়।

SARADINDU GHOSH

Published by:Piya Banerjee
First published: