Home /News /south-bengal /
শনিবার থেকে টানা লকডাউন, বাজার করার হুড়োহুড়ি পূর্ব বর্ধমানের শহরগুলিতে

শনিবার থেকে টানা লকডাউন, বাজার করার হুড়োহুড়ি পূর্ব বর্ধমানের শহরগুলিতে

সামাজিক দূরত্ব সে আবার কী? লকডাউনের আগে নিয়মকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দেদার বাজার।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান: আগামীকাল ফের কড়াকড়ি লকডাউন। তার আগে আজ পূর্ব বর্ধমান জেলার শহরগুলিতে মুদিখানা দোকান ও সবজি বাজারে ভিড় উপচে পড়ল। পূর্ব বর্ধমান জেলার সদর শহর বর্ধমানে বুধবার থেকেই একটানা সাত দিনের লকডাউন পালিত হচ্ছে। নতুন করে টানা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে কাটোয়া, কালনা,মেমারি শহর ও তার আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। গতকাল রাজ্যজুড়ে লকডাউনের দিনে সবজি বাজার বসতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ এলাকায় এলাকায় টহল দিয়ে মুদিখানা দোকানও বন্ধ করে দেয়। আগামীকাল তেমনই লকডাউন হবে ধরে নিয়ে এদিন সবজি ও অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহে ব্যস্ত থাকলেন অনেকেই।

এদিন বর্ধমান শহরে লকডাউন চলাকালীন বেশকিছু মুদিখানা দোকানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। অনেক জায়গায় এদিন দুপুর একটার পর পুলিশ সেই সব দোকান বন্ধ করে দেয়।পাইকারি বাজারেও ভিড়  নিয়ন্ত্রণ ও বাজার খোলা রাখার সময় সময় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই সুযোগে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর কৃত্রিম অভাব তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। মেমারি, কালনা ও কাটোয়া শহরেও বাসিন্দাদের মধ্যে আলু, ডিম,পেঁয়াজ,চাল,তেল, মুড়ি, বিস্কুট মজুদ করার হিড়িক লক্ষ্য করা গিয়েছে।

লকডাউন ঘোষণার পর থেকে কাটোয়া শহরের সবজি বাজার থেকে আলু উধাও হয়ে গিয়েছে। একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়াতে আলুর কৃত্রিম অভাব তৈরি করছে বলে অভিযোগ।  ক্রেতারা বাজারে আলু না পেয়ে কার্যত হতাশ। স্হানীয় পুর প্রশাসন জানিয়েছে,পর্যাপ্ত আলু রয়েছে। কেউ বেআইনিভাবে মজুত করতে চাইলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে পুলিশ অভিযান চালাবে। আলুর আড়ৎদারের দাবি হঠাৎ  লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় ক্রেতারা বেশি করে আলু কিনছে। তাতেই যোগানে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

মেমারি ও কালনা শহরেও একই চিত্র দেখা গেছে। কালনায় সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত লকডাউন চলছিল। ফলে দিনের বেলায় বাজার করতে পারছিলেন বাসিন্দারা। কিন্তু আগামীকাল থেকে টানা চার দিন লকডাউন ঘোষণা হওয়ায় গৃহস্থালির টুকিটাকি কিনতে বেরিয়েছিলেন অনেকেই। মুদিখানা দোকান থেকে আলু পেঁয়াজ ডিম তেল চাল ডাল মজুদ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন অনেকেই। বাজারে গিয়ে এক সপ্তাহের সবজিও কিনতে দেখা গিয়েছে বাসিন্দাদের। তবে এদিন জেলার বাজারগুলিতে মাছের যোগান ও বিক্রেতা দুই কম ছিল। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, লকডাউনের কারণেই পাইকারি বাজারে সেভাবে মাছ আসছে না। খুচরো বিক্রেতারাও আপাতত বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published:

Tags: Corona Virus, Coronavirus, Lockdown, Purba bardhaman

পরবর্তী খবর