• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • Fisherman claims finding Gods inside shell in Kakdwip: ঝিনুকের ভিতর থেকে উঁকি মারছে দেবমূর্তি, ঠিকরে বেরোচ্ছে দ্যুতি! পুজো শুরু কাকদ্বীপে

Fisherman claims finding Gods inside shell in Kakdwip: ঝিনুকের ভিতর থেকে উঁকি মারছে দেবমূর্তি, ঠিকরে বেরোচ্ছে দ্যুতি! পুজো শুরু কাকদ্বীপে

এই ঝিনুক ঘিরেই হইচই কাকদ্বীপে, শুরু হয়েছে পুজো৷

এই ঝিনুক ঘিরেই হইচই কাকদ্বীপে, শুরু হয়েছে পুজো৷

দু' দিন আগে সঞ্জয় সরকার নামে এক মৎস্যজীবীর জালে কয়েকটি ঝিনুক ওঠে। সেই ঝিনুকের ভিতরেই কয়েকজন দেবদেবী ও সাংকেতিক চিহ্ন মিলেছে বলে দাবি করেন ওই মৎস্যজীবী (Fisherman claims finding Gods inside shell in Kakdwip)।

  • Share this:

    #কাকদ্বীপ: ঝিনুুকের মধ্যে নাকি রয়েছেন সাক্ষাৎ দেবতা৷ ঠিকরে বেরোচ্ছে ঐশ্বরিক দ্যুতি৷ স্বভাবতই এমন খবর ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয়নি৷ ঝিনুকে লুকনো দেবদেবীর দর্শনে ভিড় করলেন অসংখ্য মানুষ (Kakdwip Rumour)৷ স্থানীয় মন্দিরে শুরু হয়ে গেল পুজো পাঠ, শিকেয় উঠল করোনা বিধি৷ বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যদের দাবি, গোটাটাই আসলে গুজব৷ যার পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি৷

    ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপের কালিকাপুরে৷ স্থানীয় সূত্রে খবর, দু' দিন আগে সঞ্জয় সরকার নামে এক মৎস্যজীবীর জালে কয়েকটি ঝিনুক ওঠে। সেই ঝিনুকের ভিতরেই কয়েকজন দেবদেবী ও সাংকেতিক চিহ্ন মিলেছে বলে দাবি করেন ওই মৎস্যজীবী (Fisherman claims finding Gods inside shell in Kakdwip)।

    এর পর বিষয়টিকে অলৌকিক ঘটনা ধরে নিয়ে একটি ছোট্ট বাড়ির ভিতরে মন্দিরের মধ্যে রাখা হয় ঝিনুকগুলি। সেই ঝিনুক দেখার জন্য আশেপাশের এলাকার মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে হুড়হুড়িয়ে। যাঁরা ঝিনুকে লুকনো দেবদেবী দর্শনে ভিড় করেন, তাঁদের অধিকাংশের মুখেই থাকছে না মাস্ক, মানা হচ্ছে না কোনও দূরত্ব বিধি৷

    আরও পড়ুন: জালে উঠে এল আজব প্রাণী! মাছ না কুমির? শোরগোল ধানবাদে...

    এলাকার বিজ্ঞান মঞ্চের প্রতিনিধিরা পুরোটাই বুজরুকি বলে জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তাঁরা। সোমবার সকাল থেকে প্রচুর মানুষ দেবদেবী দর্শনে ভিড় করতে শুরু করেন। তাতেই আরও বেশি উদ্বিগ্ন এলাকার বিজ্ঞান মঞ্চের সদস্যরা৷

    পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চের কাকদ্বীপ শাখার প্রতিনিধি সৌম্যকান্তি জানার দাবি, 'এই বিষয়টির মধ্যে কোন অস্বাভাবিকতা নেই। পুরো বিষয়টি বিজ্ঞানসম্মতভাবে হয়ে থাকে। কারণ সম্প্রীতি এই ঝিনুকগুলিকে বিজ্ঞানসম্মত ভাবে চাষ করা হয় এবং এই চাষ করার সময় ঝিনুকের ভিতরে ধাতব জিনিস দিয়ে ডাইস তৈরি করা হয় যাতে ঝিনুকে মুক্ত তৈরি হলে ভিতরের ডাইসটি আকারেই মুক্তোর গঠন হয়৷ বিজ্ঞানসম্মত এই প্রক্রিয়ায় এলাকায় কোথাও কোথাও চাষ শুরু হয়েছে। সেরকমই কিছু ঝিনুক ওই মৎস্যজীবীর জালে উঠেছে৷'

    যদিও বিজ্ঞানমঞ্চের সদস্যদের এই দাবি কানে তুলতে নারাজ মন্দিরে ভিড় করা আমজনতা৷ তাঁদের একটাই দাবি, এমন ঘটনা তো আগে ঘটেনি৷ ফলে এর পিছনে নিশ্চিত ভাবে কোনও ঐশ্বরিক যোগ রয়েছে৷

    Arpan Mondal

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: