হাসপাতাল থেকে হঠাৎ উধাও রোগী, ৫ দিন পরেও মেলেনি খোঁজ

অভিযোগ, রোগী ৫ দিন ধরে নিখোঁজ হওয়ার পরেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 09, 2019 08:46 PM IST
হাসপাতাল থেকে হঠাৎ উধাও রোগী, ৫ দিন পরেও মেলেনি খোঁজ
photo: patient missing
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Sep 09, 2019 08:46 PM IST

#পূর্ব মেদিনীপুর: কড়া নিরাপত্তা ও সিসি টিভি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উধাও হয়ে রোগী। গত ৫ দিন ধরে নিখোঁজ দাসপুর থানা এলাকার বাসিন্দা কমল ভূঁইয়া। রোগীর আত্মীয় স্বজন পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি হাসপাতালের নিরপত্তার চরম গাফিলতির অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছেন।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পেটের সমস্যা নিয়ে ভর্তি হন দাসপুর থানার রায়কুন্ডু গ্রামের বাসিন্দা কমল ভুঁইয়া। এরপর ৫ তারিখ রাত্রি ৯টা নাগাদ কমল ভূঁইয়াকে দেখতে যান বাড়ির লোকজন। সেই সময় দেখতে পান কমল ভূঁইয়া তাঁর বেডে নেই। গোটা রাত খোঁজাখুঁজি করা হলেও রোগীর আত্মীয় স্বজন কমল ভূঁইয়াকে না পেয়ে অবশেষে হাসপাতালে বাইরে বেরিয়ে এসে গোটা শহরেও খোঁজাখুঁজি করেন। এরপর তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানান। তবে কোতওয়ালি থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাদেরকে বলা হয় ২৪ ঘন্টা না পেরোলে তারা অভিযোগ নিতে পারবে না। এরপর তারা পরের দিন এসে পুনরায় হাসপাতালে দেখা করেন এবং থানায় অভিযোগ করেন। থানায় অভিযোগ করার পরও কমল ভূঁইয়াকে না পাওয়া গেলে রোগীর আত্মীয় স্বজন পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরের দিন  বাড়ির লোকজন পুনরায় হাসপাতালের সুপারের সঙ্গে দেখা করতে চান এবং অভিযোগের পাশাপাশি সিসিটিভি চেক করার আবেদনও জানান নিখোঁজের পরিবার। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের পুলিশের দ্বারস্থ হতে বলে।

রোগীর বাড়ির আত্মীয়-স্বজনের অভিযোগ, গত ৪ তারিখ ভর্তি করার পর ৫ তারিখ রাতে যখন হাসপাতালের বাইরে থেকে খাবার খেয়ে তারা ফিরে আসেন,  তখন থেকেই রোগীকে পাওয়া যাচ্ছে না। এত নিরাপত্তারক্ষী এবং সিসিটিভি থাকা সত্ত্বেও কিভাবে হাসপাতাল থেকে রোগী উধাও হয়ে যায়, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন রোগীর পরিবার পরিজনেরা। তাদের অভিযোগ, রোগী ৫ দিন ধরে নিখোঁজ হওয়ার পরেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ প্রশাসনও। এই বিষয়ে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার তন্ময় কান্তি পাঁজার কাছে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি মুখ খুলতে রাজি হননি। তাঁকে ফোন ধরা হলে তিনি জানান সম্পূর্ণ বিষয়টা পুলিশ প্রশাসন দেখছে। তাদের কিছু করণীয় নেই। তাদের এত কর্মীও নেই যে প্রতিটা রোগীকে নিরপত্তা দেওয়া সম্ভব। তাই রোগীর বাড়ির একজন আত্মীয় স্বজনকে রোগীর কাছে থাকতে বলা হয়।

First published: 08:46:49 PM Sep 09, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर