Home /News /south-bengal /
দীর্ঘদিন পরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালু হাওড়া, আসানসোল, মালদহ ডিভিশনে

দীর্ঘদিন পরে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চালু হাওড়া, আসানসোল, মালদহ ডিভিশনে

উল্লেখ্য, রেল বিধিতে জানানো হয়েছে, প্ল্যাটফর্মে আলাদা ঘর রাখতে হবে। কোনও যাত্রী উপসর্গযুক্ত হলে তাঁকে সেই ঘরে আলাদা করে রেখে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে।

  • Share this:

#কলকাতা: আজ থেকে রেল পথে যাতায়াত করতে পারবেন আসানসোল, মালদা ডিভিশনের যাত্রীরা। আজ থেকে চালু হয়ে যাচ্ছে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবা। মোট  ৪০ জোড়া রেল চলবে এই পথে। তবে সংখ্যার বিচারে মোট চলবে ৮১টি ট্রেন। এর মধ্যে ৩০টি ট্রেন চলবে হাওড়া ডিভিশনে,  ৩৩টি ট্রেন চলবে আসানসোল ডিভিশনে ও ১৮টি ট্রেন চলবে মালদহ ডিভিশনে। হাওড়া ডিভিশনে ৩০টি ট্রেন চলবে। যার মধ্যে বর্ধমান-রামপুরহাটের মধ্যে চলবে ৮টি ট্রেন, রামপুরহাট-দুমকা-যশিডির মধ্যে চলবে ২টি ট্রেন, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ মধ্যে চলবে ৮টি ট্রেন, আজিমগঞ্জ-রামপুরহাটের মধ্যে চলবে ৪টি ট্রেন। আসানসোল ডিভিশনে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলবে ৩৩টি। যার মধ্যে বর্ধমান-আসানসোল মধ্যে চলবে ১৫টি। অন্ডাল-সাঁইথিয়ার মধ্যে চলবে ৬টি ট্রেন। আসানসোল-ধানবাদের মধ্যে চলবে ৬টি ট্রেন।

আসানসোল-যশিডি-ঝাঝা সেকশনে আগামিকাল থেকে রেল পথে যাতায়াত করতে পারবেন আসানসোল, মালদা ডিভিশনের যাত্রীরা। কাল থেকে চালু হয়ে যাচ্ছে প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবা। মোট  ৪০ জোড়া রেল চলবে এই পথে। তবে সংখ্যার বিচারে মোট চলবে ৮১টি ট্রেন। এর মধ্যে ৩০টি ট্রেন চলবে হাওড়া ডিভিশনে, ২২টি ট্রেন চলবে আসানসোল ডিভিশনে ও ২টি ট্রেন চলবে মালদহ ডিভিশনে। হাওড়া ডিভিশনে ৩০টি ট্রেন চলবে। যার মধ্যে বর্ধমান-রামপুরহাটের মধ্যে চলবে ৮টি ট্রেন, রামপুরহাট-দুমকা-যশিডির মধ্যে চলবে ২টি ট্রেন, কাটোয়া-আজিমগঞ্জ মধ্যে চলবে ৮টি ট্রেন, আজিমগঞ্জ-রামপুরহাটের মধ্যে চলবে ৪টি ট্রেন।

আসানসোল ডিভিশনে প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলবে ২২টি। যার মধ্যে বর্ধমান-আসানসোল মধ্যে চলবে ৮টি। অন্ডাল-সাঁইথিয়ার মধ্যে চলবে ৪টি ট্রেন। আসানসোল-ধানবাদের মধ্যে চলবে ৪টি ট্রেন। আসানসোল-যশিডি-ঝাঝা সেকশনে চলবে ৬টি ট্রেন।মালদা ডিভিশনে চলবে ১৮টি ট্রেন। বেশিরভাগ ট্রেন চলবে মালদহ সাথে উত্তরের সংযোগ।কোভিড প্রটোকল মেনেই চালু হবে এই সব ট্রেন পরিষেবা।  কলকাতা লাগোয়া শহরতলির বাইরে থেকে বহু মানুষ কলকাতায় আসেন। মুলত সেই সব এলাকার মানুষদের জন্যে রেল পরিষেবাকে আরও বিস্তৃত করতে চেয়েছিল নবান্ন।

কালী পুজোর আগে হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুধুমাত্র শহরতলি রুটে লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এবার রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে ট্রেন চলাচলের অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে গত ১১ নভেম্বর থেকে। এ দিকে জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নন-সাবার্বান বিভাগে ট্রেন না চলায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়, যার চাপ এসে পড়ে প্রশাসনের উপরে। উল্লেখ্য, ট্রেন চলায় মহানগরের সঙ্গে রেলসূত্রে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু জেলা। তবে ব্রাত্য ছিল বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমানের একটি বড় অংশ। বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে চলছিল না লোকাল ট্রেন।কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় ট্রেন চলছিল না।আজিমগঞ্জ-রামপুরহাট শাখায়ও ট্রেন বন্ধ ছিল। বহরমপুরের সাংসদ অধীর চোধুরী রেলমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়েছিলেন। হাঁসন কেন্দ্রের বিধায়ক মিল্টন রশিদও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন বীরভূম জেলায় লোকাল ট্রেন চালুর জন্য। কোভিড সংক্রমণ রোধে ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী চালু করেছে রেল মন্ত্রক। সেই বিধি মেনেই লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে রাজ্যে। জেলা স্তরে রেল যোগাযোগ চালু হলেও একই নিয়মাবলী মেনে চলা আবশ্যিক করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, রেল বিধিতে জানানো হয়েছে, প্ল্যাটফর্মে আলাদা ঘর রাখতে হবে। কোনও যাত্রী উপসর্গযুক্ত হলে তাঁকে সেই ঘরে আলাদা করে রেখে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে। প্রতিটি স্টেশনে গণ পরিবহণ যাতে পর্যাপ্ত সংখ্যায় থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে জেলাগুলিকেই। কাছাকাছি একাধিক স্টেশনের মধ্যেও পরিবহণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে হবে। হকার ও ভেন্ডারকে স্টেশনে ঢুকতে দেওয়া হবে না। রাজ্যের পুলিশ যেন ঢোকা বেরোনো নিয়ন্ত্রণ ঠিক করে, সেদিকে জোর দিচ্ছে রেল।চলবে ২টি ট্রেন। কোভিড প্রটোকল মেনেই চালু হবে এই সব ট্রেন পরিষেবা।  কলকাতা লাগোয়া শহরতলির বাইরে থেকে বহু মানুষ কলকাতায় আসেন। মূলত সেই সব এলাকার মানুষদের জন্যে রেল পরিষেবাকে আরও বিস্তৃত করতে চায় নবান্ন।  কালী পুজোর আগে হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুধুমাত্র শহরতলি রুটে লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। এবার রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলে ট্রেন চলাচলের অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার। প্রথম দফায় রাজ্যে লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে গত ১১ নভেম্বর থেকে। এ দিকে জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য নন-সাবার্বান বিভাগে ট্রেন না চলায় যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়, যার চাপ এসে পড়ে প্রশাসনের উপরে।

উল্লেখ্য, ট্রেন চলায় মহানগরের সঙ্গে রেলসূত্রে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু জেলা। তবে ব্রাত্য ছিল বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমানের একটি বড় অংশ। বর্ধমান-সাহেবগঞ্জ লুপ লাইনে চলছিল না লোকাল ট্রেন।কাটোয়া-আজিমগঞ্জ শাখায় ট্রেন চলছিল না।আজিমগঞ্জ-রামপুরহাট শাখায়ও ট্রেন বন্ধ ছিল। বহরমপুরের সাংসদ অধীর চোধুরী রেলমন্ত্রীকে অবিলম্বে এই ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়েছিলেন। হাঁসন কেন্দ্রের বিধায়ক মিল্টন রশিদও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়েছিলেন বীরভূম জেলায় লোকাল ট্রেন চালুর জন্য। কোভিড সংক্রমণ রোধে ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট নিয়মাবলী চালু করেছে রেল মন্ত্রক। সেই বিধি মেনেই লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছে রাজ্যে। জেলা স্তরে রেল যোগাযোগ চালু হলেও একই নিয়মাবলী মেনে চলা আবশ্যিক করা হবে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, রেল বিধিতে জানানো হয়েছে, প্ল্যাটফর্মে আলাদা ঘর রাখতে হবে। কোনও যাত্রী উপসর্গযুক্ত হলে তাঁকে সেই ঘরে আলাদা করে রেখে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে। প্রতিটি স্টেশনে গণ পরিবহণ যাতে পর্যাপ্ত সংখ্যায় থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে জেলাগুলিকেই। কাছাকাছি একাধিক স্টেশনের মধ্যেও পরিবহণ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে হবে। হকার ও ভেন্ডারকে স্টেশনে ঢুকতে দেওয়া হবে না। রাজ্যের পুলিশ যেন ঢোকা বেরোনো নিয়ন্ত্রণ ঠিক করে, সেদিকে জোর দিচ্ছে রেল।

Published by:Pooja Basu
First published:

Tags: Train

পরবর্তী খবর