• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি শুরু হয়নি, চিন্তায় রাজ্যের শস্য গোলার কৃষকরা

সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি শুরু হয়নি, চিন্তায় রাজ্যের শস্য গোলার কৃষকরা

সমস্যা মেটাতে বুধবার গলসিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলাশাসক মহম্মদ এনামুর রহমান। এক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির কাজ সম্পূর্ণ করে ধান কেনার কাজ শুরু করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাইস মিল মালিকরা।

সমস্যা মেটাতে বুধবার গলসিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলাশাসক মহম্মদ এনামুর রহমান। এক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির কাজ সম্পূর্ণ করে ধান কেনার কাজ শুরু করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাইস মিল মালিকরা।

সমস্যা মেটাতে বুধবার গলসিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলাশাসক মহম্মদ এনামুর রহমান। এক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির কাজ সম্পূর্ণ করে ধান কেনার কাজ শুরু করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাইস মিল মালিকরা।

  • Share this:

#বর্ধমান: এখনও সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের শস্যগোলা হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমানের গলসির কৃষকরা। রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদক এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম গলসি। কিন্তু এই এলাকার বেশিরভাগ রাইস মিল এখনও প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ না হওয়ায় ধান কেনার কাজ থমকে গিয়েছে। অবিলম্বে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করার দাবি তুলেছেন কৃষকরা।

সমস্যা মেটাতে বুধবার গলসিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন জেলাশাসক মহম্মদ এনামুর রহমান। এক সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তির কাজ সম্পূর্ণ করে ধান কেনার কাজ শুরু করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাইস মিল মালিকরা। রাইস মিল ছাড়াও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে সরাসরি চাষীদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য দপ্তর।

রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় গলসিতে। সেইজন্য গলসিকে রাজ্যের শস্য গোলা বলা হয়। সেই এলাকাতেই এখনও ধান কেনার কাজ শুরু হয়নি। তার ফলে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন রাইস মিলের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর গলসি দু নম্বর ব্লকেই বিয়াল্লিশটি রাইস মিল ধান থেকে চাল তৈরির ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এবার সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি রাইস মিল চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।এখনও অনেক রাইস মিল সে কারণে ধান কেনার কাজ শুরু করতে পারেনি। এই সমস্যা মেটাতে রাইস মিল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জেলা প্রশাসন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির পর্ব মিটিয়ে ধান কেনার কাজ শুরু করে দেওয়া হবে বলে রাইস মিল মালিকরা প্রশাসনকে আশ্বাস দিয়েছে।

জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে,ডিসেম্বর শুরু থেকেই পুরোদমে ধান কেনার কাজ শুরু হয়ে যাবে। রাইস মিল ছাড়াও সিপিসি ও ডিপিসির মাধ্যমে ধান কেনা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ধান কেনার কাজে যুক্ত হচ্ছে। একজন কৃষক নব্বই কুইন্টাল পর্যন্ত ধান সহায়ক মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন। এ জন্য আগে যেসব কৃষক নাম নথিভুক্ত করেছেন তাদের আর নতুন করে নাম নথিভুক্ত করতে হবে না।

Saradindu Ghosh

Published by:Shubhagata Dey
First published: