• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • সময়মতো টাকা পড়েনি অ্যাকাউন্টে, ধান বিক্রি করে বিপাকে লালগড়ের চাষীরা !

সময়মতো টাকা পড়েনি অ্যাকাউন্টে, ধান বিক্রি করে বিপাকে লালগড়ের চাষীরা !

ওড়িশা ও তেলেঙ্গানা মডেলের আদলে এই প্যাকেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। তেলেঙ্গানায় বপন মরশুমের সময় কৃষকদের একর পিছু ৪০০০ টাকা দেওয়া হয়ে থাকে । ওড়িশায় একইভাবে প্রত্যেকটি কৃষক পরিবারকে ৫০০০ টাকা দেওয়া হয়। (ছবি: সংগৃহীত)

ওড়িশা ও তেলেঙ্গানা মডেলের আদলে এই প্যাকেজ প্রস্তুত করা হয়েছে। তেলেঙ্গানায় বপন মরশুমের সময় কৃষকদের একর পিছু ৪০০০ টাকা দেওয়া হয়ে থাকে । ওড়িশায় একইভাবে প্রত্যেকটি কৃষক পরিবারকে ৫০০০ টাকা দেওয়া হয়। (ছবি: সংগৃহীত)

সরকারি দামে ধান বিক্রি করেছেন। কিন্তু এখনও টাকা পাননি জঙ্গলমহলের লালগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার ধানচাষীরা।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #ঝাড়গ্রাম: সরকারি দামে ধান বিক্রি করেছেন। কিন্তু এখনও টাকা পাননি জঙ্গলমহলের লালগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকার ধানচাষীরা। অভিযোগ, প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও লাভ হয়নি। সরকারি সংস্থার নামে ধান কেনা প্রশান্ত খানে নামে এক ব্যক্তির কোনও খোঁজ পাচ্ছেন না ধানচাষীরা। নতুন চাষ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন তারা।

    সর্বস্ব দিয়ে ধানচাষ করে বিপাকে লালগড়ের প্রায় ৫০-এরও বেশি ধানচাষী। সরকার তাদের কাছ থেকে ধান কেনার খবরে খুশি হয়েছিলেন তাঁরা। বিভিন্ন কৃষি উন্নয়ন সমিতির মাধ্যমে শুরু হয় ধান কেনা। পঞ্চায়েত প্রধানদের উপস্থিতিতে লালগড়ে কৃষকদের ধান কেনে পাইক অ্যাম্বি সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি। ওই সমিতির কর্মী বলে নিজেকে দাবি করা প্রশান্ত খান কৃষকদের কাছ থেকে প্রমাণ হিসেবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও জমি সংক্রান্ত তথ্য নেন। ধানচাষীদের দাবি, এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।

    বিনপুর ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির দাবি, টাকা না পাওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন কৃষকরা। তিনি বিষয়টি উচ্চতর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন ৷

    ধানচাষীরা যাতে সঠিক দাম পান, তার আশ্বাস দিয়েছেন বিনপুর ১ নং ব্লকের জয়েন্ট বিডিও।বর্ষার মরশুম। সময় চলে যাচ্ছে। কিন্তু টাকার অভাবে নতুন করে চাষের কাজে হাত দিতে পারছেন না ধানচাষীরা ৷

    First published: