corona virus btn
corona virus btn
Loading

দুঃস্থ শিশুদের জন্য খোলা হল অনলাইন শপিংমল ! ফোন করলেই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে খাবার !

দুঃস্থ শিশুদের জন্য খোলা হল অনলাইন শপিংমল ! ফোন করলেই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে খাবার !
photo source collected

শুধুমাত্র বারাসাতের জন্য খুলল বিনা পয়সার অনলাইন শপিং মল।

  • Share this:

#বারাসত: শুধুমাত্র বারাসাতের জন্য খুলল বিনা পয়সার ওন লাইন শপিং মল।আবার এই মলের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল শুধমাত্র দুঃস্থ শিশুদের পুষ্টিকর খাবার পৌছে দেওয়া।স্যোশাল মিডিয়ায় এই শপিং মলের হেল্প লাইন নম্বর ছড়িয়ে দিয়েছেন উদ্যোক্তরা।তাদের হেল্প লাইন নম্বর হল- 9163500436/ 9674434336l

উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর শহর বারাসত।কলকাতা থেকে মাত্র ২৫ কিমি দূরের শহর  হলেও ওন লাইন গ্রসারি শপের তেমন সুযোগ নেই এখানে। লক ডাউনের শুরুতেই মানুষকে ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে অপুস্টিতে ভোগা শিশুদের দিকে নজর যায় এই শহরের বাম ছাত্র ও যুব সংগঠনের কর্মীদের।তাদেরই একজন অর্কপ্রভ সেনগুপ্ত প্রথম উদ্যোগটি নেন।বন্ধু ও পার্টি কর্মীদের নিয়ে নিজের বাড়িতে তৈরি করেন ওন লাইন শপিং মল ফর প্রিভিলেজ চাইল্ড।তাদের হেল্প লাইনে ফোন করে বাড়ির বাচ্চাদের জন্য খাবার চাইলেই শুরু হয়ে যাবে অর্কদের ইন্টারন্যাল এনক্যোয়ারি।সেই অনুসন্ধানে যদি উঠে আসে শিশুর পরিবারটি দুঃস্থ, তাহেলে পৌছে যাবে খাদ্য সামগ্রী।

ডিওয়াইএফআই ও এসএফআই এর এই সব ছেলেরা শিশু খাদ্যের পুষ্টির মান ঠিক রাখতে গুগল সার্চ করে খাদ্যের তালিকা তৈরি করেছেন।সেই মত ফল দুধ মুড়ি বিস্কুট ও অন্যান্য খাবার তারা প্রতিদিনই দান করছেন দুঃস্থ শিশুদের। অর্কপ্রভর কথায় গরিব মানুষের শিশুরা শপিংমলের মধ্যে পা রাখতে দ্বিধায় পড়েন। তাই তারা শপিংমলকেই নিয়ে গিয়েছেন শিশুর পরিবারের কাছে। আবার কেউ চাইলে তার বাড়িতে এসেও খাবার নিয়ে যেতে পারেন। তবে নবপল্লীতে তার বাড়িতে ঢুকতে গেলে উষ্ণ ডেটল মিশ্রিত গরম জলে আগে হাত ও পা ধুতে হবে।তারপর সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে  প্রবেশ করতে পারবেন তিনি।শবেবরাতের সকালে অর্কর বাড়িতে হাজির হন মহঃসুখু মন্ডল। তার দাদা রং মিস্ত্রী। লক ডাউনে কাজ নেই। ঘরে বসে আছেন রেশন থেকে পাওয়া চালে সংসার চলছে।তাই দুই ভাইপোর জন্য ফোনে খাবার পাওয়ার আবেদন করছিলেন।আজ সকালে তার দুই ভাইপোর জন্য খাবার নিয়ে যান অর্কদের কাছ থেকে।অর্কর কথায় বাড়ি থেকে সাধারণত তারা খাবার দিতে চান না।লক ডাউনের কথা মাথায় রেখে তারা মোটর বাইকে করে শিশুর পরিবারের হাতে খাবার পৌছে দিচ্ছেন !

RAJARSHI ROY

 
First published: April 9, 2020, 4:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर