ONGC-কে জমি দিয়ে কেন পাব না ক্ষতিপূরণ, দাবিতে অনড় কৃষকরা দ্বারস্থা আদালতের, আটকাতে চলেছে প্রকল্প

ONGC-কে জমি দিয়ে কেন পাব না ক্ষতিপূরণ, দাবিতে অনড় কৃষকরা দ্বারস্থা আদালতের, আটকাতে চলেছে প্রকল্প

কৃষকদের দাবিতে বন্ধ হতে চলেছে ওএনজিসি-র প্রকল্প

  • Share this:

#কলকাতা :মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে তাকিয়ে আন্দোলন এ সামিল অশোকনগর বাইগাছির কৃষক ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ রা।গত দুবছর ধরে তাদের জমির উপর কেন্দ্রীয় সংস্থা ও এন জি সি গ্যাস ও তেলের খোঁজ চালাচ্ছে।বিনা ক্ষতিপূরনে তাদের প্রায় ৪ একর জমির দখল চলেগেছে। সেই জমির ক্ষতি পূরনের জন্য ইতিমধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।তাদের দাবী দেশের স্বার্থে প্রকল্প হোক। কিন্তুু নিয়মমত তাদের ন্যায্য ক্ষতি পূরন দেওয়া হোক।মামলার জটে আটকাতে চলছে অশোকবগরের বাইগাছিতে ONGC এর প্রকল্প।

গত দুবছর ধরে এই এলাকায় অনুসন্ধান চালিয়ে সম্প্রতি গ্যাসের ভান্ডারে খোঁজ পেয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি।সেই গ্যাস বানিজ্যিকভাবে উত্তোলনের জন্য সম্প্রতি আর ১১ একর জমি চেয়েছেন তারা।অনুসন্ধান করার সময় তারা ৪ একর জমি নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন। সেই জমির মালিক হিসাবে দাবী জানিয়ে গত অক্টোবর মাসে বারাসাত আদলতের দ্বারস্থ হন ৪০ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক।তাদের দাবী আর আর বিভাগের জমিতে তারা গত ৭০ বছর ধরে চাষ আবাদ করে আসছেন। ২ বছর আগে ও এন জি সি অনুসন্ধানে আসলে অশোকনগর পুরসভার আশ্বাসে কাজ শুরু হয় বলে তাদের দাবী।পুরসভা বলেছিল ক্ষতি পূরন তারা মিটিয়ে দেবে কৃষকদের।কিন্তুু অনুসন্ধানে সাফল্য আসলেও তাদের জমির কোন ক্ষতি পূরন তারা পাননি।গত পয়লা অক্টোবর তারা দারস্থ হন বারাসাত আদালতে। পুরসভাকেও এই মামলার পার্টি করেছেন তারা।গত ২০ নভেম্বর শুনানীতে রাজ্য সরকারের এল আর দপ্তর জানিয়েছে আদলতকে যে এই জমি ১৯৫১ সালেই অধিগৃহীত। সেই কথাও বলছেন পুরপ্রধান প্রবোধ সরকার। তার দাবী যারা জমির মালিক বলছেন তাদের কাছে জমির কোন বৈধ কাগজ নেই।অন্যদিকে মামলাকারী দের আইনজীবী তমাল চক্রবর্তী অভিযোগ আদালতে তারা সব প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিয়েছেন। ক্ষতি পূরন চেয়ে তারা মামলাটি করেছেন। আজ সকালে এই চার একর জমির ক্ষতিগ্রস্থ দাবী করে একদল কৃষকরা প্রকল্প এলাকায় মিছিল করে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে।বিক্ষোভ দেখান প্রকল্পের গেটের সামনে।তাদের দাবী দেশের স্বার্থে এই প্রকল্প হোক এখানেই।কিন্তুু তাদের ক্ষতি পূরন দিতে হবে।সেই দাবীতে স্বল্প সময়ের জন্য হাবরা নৈহাটি রোড অবরোধ করেন।তাদের বক্তব্য কৃষক স্বার্থ রক্ষাকারী রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করলে তারা বঞ্চিত হবেন না

চঞ্চল মজুমদার,জীবন প্রসাদ মজুমদার,তপন দাস, নারায়ন চন্দ্র দাস এর মত ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের অভিযোগ  পুরসভার পুরপ্রধান সুবোধ সরকার  তাদের ভুল বুঝিয়েন।তাই এতদিন তারা তাদের জমিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাটিকে কাজ করতে দিয়েছেন।ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের দাবী ১৯৪৮ সাল থেকেই এই জমির কাগজ ও দখল তাদের আছে।আর আর দপ্তর থেকে তারা এই জমি তারা পেয়েছেন। সেখানেই চাষবাস করে আসছেন তারা গত ৭০ বছর ধরে।প্রশ্ন তাদের একটাই জমি যাবে, ক্ষতি পূরন কেন পাবনা।

আরও দেখুন

Loading...

First published: 04:04:09 PM Dec 04, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर