• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কাঁথিতে স্কুলবাস দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণীর পড়ুয়া, আহত ১৫

কাঁথিতে স্কুলবাস দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণীর পড়ুয়া, আহত ১৫

ফের দুর্ঘটনার কবলে স্কুল বাস। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কন্টাই পাবলিক স্কুলের বাসে দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী।

ফের দুর্ঘটনার কবলে স্কুল বাস। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কন্টাই পাবলিক স্কুলের বাসে দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী।

ফের দুর্ঘটনার কবলে স্কুল বাস। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কন্টাই পাবলিক স্কুলের বাসে দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কাঁথি: ফের দুর্ঘটনার কবলে স্কুল বাস। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির কন্টাই পাবলিক স্কুলের বাসে দুর্ঘটনার বলি চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী। আহত আরও ১৩ জন ছাত্রী-সহ ১৫ জন। উল্টোদিক থেকে আসা পিচ বোঝাই লরির সঙ্গে ধাক্কা লাগে স্কুল বাসের। ১১৬ বি নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দুর্ঘটনার পরেই রাস্তা সম্প্রসারণের দাবি তুলেছেন এলাকাবাসীরা।

    সকাল দশটা নাগাদ দিঘা থেকে বেশ জোরেই আসছিল স্কুল বাসটি। আচমকাই একটা জোরের ঝাঁকুনি। তারপরেই একজনের ঘাড়ে আর একজন.. সব লণ্ডভণ্ড। চিৎকার চেঁচামেচিতে স্থানীয় বাসিন্দারাই এসে প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান।

    এলাকাবাসীর জানান, দিঘা থেকে কাঁথির কন্টাই পাবলিক স্কুলের বাস যাচ্ছিল ১১৬ নম্বর বি জাতীয় সড়ক ধরে। ওই রাস্তা দিয়েই দিঘার দিকে যাচ্ছিল পিচ বোঝাই একটি লরি। আচমকাই ছত্রধারার কাছে রাস্তার উপরে চলে আসে একটি মোটর বাইক। বাইককে বাঁচাতে ডান দিক কাটাতে গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে স্কুল বাস ধাক্কা মারে লরিকে। মুখোমুখি সংঘর্ষে চুরমার হয়ে যায় বাসের সামনের দিক।

    বাসের চালক ও খালাসী সহ ১৬ জনকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তুলনা বেরার। রামনগরে বাড়ি ওই ছাত্রীর। গুরুতর আহত স্কুল বাস চালকও। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান এলাকার বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী।

    নিজের শহরে বাস দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কলকাতা থেকে খোঁজখবর নেন পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। লরির চালককে আটক করেছে কাঁথি থানার পুলিশ। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সম্প্রসারণ হয়নি ১১৬ নম্বর বি জাতীয় সড়কের। তবে স্কুল বাস চালকের ঠিকঠাক প্রশিক্ষণ ছিল কিনা বা স্কুল বাসটি সব নিয়ম মেনে চলছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    First published: