• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ‘‘আমি বড় কষ্টে আছি’’- বৃদ্ধার কাতর আর্তি , তারপর যা বললেন...

‘‘আমি বড় কষ্টে আছি’’- বৃদ্ধার কাতর আর্তি , তারপর যা বললেন...

  • Share this:

    #পুরুলিয়া: ‘‘আমি বড় কষ্টে আছি, আমাকে একটু দয়া করবে, আমার বাসাটুকু করে দাও’’-  পুরুলিয়ার (Purulia) বলরামপুরের রাঙ্গা গ্রামের বৃদ্ধার আকুতি আবেদন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আজ একা। পুত্র বা কন্যা কেউ পাশে নেই আজ। একমাত্র সম্বল  জরাজীর্ণ বাসস্থানটি সংস্কার করে দেয় যেন পঞ্চায়েত ।

    কয়েক বছর আগে স্বামীর মৃত্যু হয় , দুই পুত্রের মধ্যে ছোটোও মারা গিয়েছে। বড় ছেলে চাকরি থেকে অবসর নিয়ে আলাদা সংসার করছেন,একমাত্র মেয়েরও বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর  শ্বশুর বাড়িতে চলে গিয়েছে। তাই এখন এভাবেই একাকীত্বে দিন কাটছে বলরামপুর রাঙাডি গ্রামের বৃদ্ধা ঝুরুবালা গরাই।বয়শ আশি বছর। কানে ভালো করে শুনতেও পাননা।চোখে দেখতে পেলেও তা পরিষ্কার নয়।

    আরও পড়ুন - Recruitment: শুধুমাত্র ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রজেক্ট অ্যাসোসিয়েট নিয়োগ, আজই আবেদন করুন

    একা একটি ভাঙ্গা চালাবাড়িতে কাটছে তার জীবন।একটি মাটির উনুন দিয়ে একবারের মতো তৈরি করে ভাত।না হলে পাড়া প্রতিবেশীর সাহায্যে জুটে অন্ন।বড় ছেলে অদূরেই আলাদা বাড়িতে থাকেন। মেয়েও আর মায়ের কাছে আসেনা।তাই অশ্রু ভেজা গলায় বৃদ্ধার আকুতি আমার বাড়িটা করে দেওয়া হক।কারন সামান্য বৃষ্টি হলেই মাথায় কুলো ঢাকা নিয়ে রাত কাটাতে হয়।

    আরও পড়ুন - 100% Love: শুধু সচিনই নন, বয়সে অনেক বড় মেয়ের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে বিয়ে করেন ‘এই’ ক্রিকেটাররা

    বৃদ্ধ ঝুরুবালা দেবী জেনেছেন তার নামে আবাস যোজনায় টাকা এসেছে। তাই মাঝে মাঝে হাতে ব্যাঙ্কের পাসবই নিয়ে খোঁজ নিতে যান ব্যাঙ্ক।খোঁজ নিয়ে বাড়ি ফেরেন।আজও আসেনি তার বাড়ি তৈরির অর্থ। তার শেষ আশা একবার বাড়িটা বানিয়ে দিক পঞ্চায়েত। এ বিষয়ে এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা ভবানি গরাই জানান,নাম  এবং আইডিতে ভুল থাকায় এতদিন হয়নি তার বাড়ি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে তাঁর আবাস যোজনায় দ্রুত সরকারি অনুদান পাওয়া যায়।  কবে জরাজীর্ণ বাড়ি সংস্কার হবে সেই দিকেই তাকিয়ে আজ অসহায় বৃদ্ধা।

    Indrajit Mandal

    Published by:Debalina Datta
    First published: