corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সংক্রমণ হয়নি তো ? আতঙ্ক থেকেই বারাসতে আত্মহত্যা বৃদ্ধের

করোনা সংক্রমণ হয়নি তো ? আতঙ্ক থেকেই বারাসতে আত্মহত্যা বৃদ্ধের
representative image

করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যা

  • Share this:

#বারাসত: করোনা আতঙ্কে আত্মঘাতী বৃদ্ধ!  ৮৫ বছর বয়সী  নিতাই ঘোষ চৌধুরী কীটনাশক খেয়ে নিজের বাড়িতেই আত্মহত্যা করেন। বারাসতের লটারি কালীবাড়ি এলাকার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে । শুক্রবার ভোর তিনটে নাগাদ আত্মহত্যা করেন বৃদ্ধ।  বারাসত হাসপাতালে নিয়ে গেলে, অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকেরা।

পরিবারের দাবি, কোভিড 19 সংক্রমণ নিয়ে এতটাই আতঙ্কিত  হয়ে পড়েছিলেন বৃদ্ধ যে তিনি ধরেই নিয়েছিলেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণেই তাঁর মৃত্যু হবে।  এই ভয় থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বৃদ্ধ।  এই প্রথম নয়, এর আগে উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁয় করোনা আতঙ্কে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

নিতাই ঘোষ চৌধুরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়,  গত সাতদিন ধরেই করোনা আতঙ্কে তটস্থ হয়েছিলেন বৃদ্ধ। মৃতের ছেলেরা জানান, কিছুদিন ধরে শরীর ভাল না থাকায় তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁর মধ্যে করোনার কোনও লক্ষণ খুঁজে পান নি। ছেলেরা এও বলেন, বৃদ্ধ মাঝেমধ্যে করোনা আতঙ্কের কথা বাড়ির লোকেদের জানালেও সবাই তা খামখেয়ালিপনা মনে করে গুরুত্ব দেননি।   বৃদ্ধ মৃত্যুর আগে একটি সুইসাইড নোট লিখে যান যেখানে করোনার জন্য স্বেচ্ছামৃত্যুর পথ বেছে নেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

বার্ধক্যজনিত  কারণ এবং বিভিন্ন ধরনের অসুখে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন  ৮৫ বছরের বৃদ্ধ নিতাই ঘোষ চৌধুরী। তবে বিগত কয়েকদিন ধরে বাংলা সিরিয়ালের বদলে তাঁর সময় কাটছিল টিভিতে খবর দেখে। দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে করোনা ভাইরাসের আক্রমণের খবর দেখতে দেখতে তাঁর মনের মধ্যে ভয় আরও জাঁকিয়ে বসে বলেই পরিবারের দাবি। তিনি নাকি তাঁর ধারেকাছে কাউকে আসতেও দিচ্ছিলেন না, কারণ তিনি ভেবে বসেছিলেন তাঁর করোনা সংক্রমণ হয়েছে।

 শুক্রবার ভোর তিনটে নাগাদ সন্দেহজনক  শব্দ শুনে বৃদ্ধের পুত্র ও পুত্রবধূর ঘুম ভেঙে যায়।  তড়িঘড়ি বৃদ্বৃধরের ঘরে গিয়ে দেখেন তিনি মাটিতে পড়ে গোঙাচ্ছেন।  তড়িঘড়ি বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয় নি। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বারাসত জেলার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, 'ঠিক কী কারনে আত্মহত্যা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'

RAJORSHI RAY

Published by: Rukmini Mazumder
First published: April 3, 2020, 3:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर