Home /News /south-bengal /
এই শহরে দোকান খোলা বন্ধে চালু হতে চলেছে জোড়-বিজোড় পদ্ধতি

এই শহরে দোকান খোলা বন্ধে চালু হতে চলেছে জোড়-বিজোড় পদ্ধতি

করোনার সংক্রমণ রুখতে বাজারে ভিড় এড়াতে অর্ধেক দোকান খোলা রাখা ও অর্ধেক দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন।

  • Share this:

#বর্ধমান: এবার বর্ধমান শহরের দোকান নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই শহরের কোন এলাকায় কতগুলি কি ধরনের দোকান রয়েছে তার সমীক্ষা করার নির্দেশ দিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী। এর ফলে করোনার সংক্রমণ রুখতে দোকান খোলা বন্ধে বিধি নিষেধ জারি রাখতে সেই তথ্য বিশেষ কাজে লাগবে বলে মনে করছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। খুব তাড়াতাড়ি পুরসভাকে এই নম্বর দেওয়ার কাজে নামানোর পরিকল্পনা নিতে চলেছে প্রশাসন।

করোনার সংক্রমণ রুখতে বাজারে ভিড় এড়াতে অর্ধেক দোকান খোলা রাখা ও অর্ধেক দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, সেই নির্দেশ সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে না। এক্ষেত্রে জোড় বিজোড় নিয়ম কার্যকর করতে চায় জেলা প্রশাসন। দিল্লিতে দূষণ রুখতে গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে জোড়-বিজোড় নিয়ম চালু করে রাজ্য সরকার। সেই নিয়ম অনুযায়ী একদিন রাস্তায় জোড় সংখ্যার গাড়ি চললে পরদিন চলবে বিজোড় সংখ্যার গাড়ি। সেই নিয়ম এখানেও দোকান খোলা বন্ধের ক্ষেত্রে চালু করার ভাবনা চিন্তা করছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জি টি রোডের দু'পাশের দোকান এবং জি টি রোড থেকে বের হওয়া বিভিন্ন শাখা রাস্তা দোকান জি দিয়ে শুরু হতে পারে। তেমনই বি সি রোডের দুপাশ ও তার শাখা রাস্তার দোকান নম্বর বি দিয়ে শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। দোকানের গায়ে লেখা থাকবে নম্বর। সেই নম্বর দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ্ন খুব সহজেই দোকান খোলা বন্ধের বিধিনিষেধ আরোপের ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা খুব সহজ হয়ে উঠবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

পূর্ব বর্ধমান জেলা শাসক বিজয় ভারতী বলেন, দোকানগুলিকে নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কোন রাস্তায় কি ধরনের দোকান কতদিন ধরে রয়েছে তা ট্রেড লাইসেন্স ধরে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। সেই কাজ সম্পূর্ণ হলে কোন পদ্ধতিতে নম্বর দিয়ে দোকান গুলি কে চিহ্নিত করা হবে তা চূড়ান্ত পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে এক সারিতে থাকা দোকানগুলির ক্ষেত্রে একটি খোলা ও পরের দোকানটি একদিন করে বন্ধ রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে প্রশাসনের। কিন্তু তা কার্যকর করা যাচ্ছে না। নম্বর ধরে ধরে সেই পরিকল্পনা কার্যাকর করতে চায় প্রশাসন। নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা কার্যকর হলে কোন কোন এলাকায় কতগুলি একই ধরনের দোকান রয়েছে সে তথ্যও হাতের কাছে মজুত থাকবে বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published:

Tags: Coronavirus

পরবর্তী খবর