• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • বর্ধমান শহরে করোনা আক্রান্ত নার্স, কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন !

বর্ধমান শহরে করোনা আক্রান্ত নার্স, কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন !

photo source collected

photo source collected

যে গাড়িতে ওই নার্স কলকাতা থেকে বর্ধমানে এসেছিলেন সেই গাড়ি বিদ্যুৎ দফতরে ব্যবহার করা হয়।

  • Share this:

 #বর্ধমান: বর্ধমানের সুভাষপল্লীতে করোনা আক্রান্ত মহিলার সংস্পর্শে আসার জেরে চল্লিশ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল। ওই নার্সের নমুনায় করোনার সংক্রমণ  মিলতেই তাঁর স্বামী সহ পাঁচ জনকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।  জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ওই মহিলা করোনা আক্রান্ত জানার পরই জেলা পুলিশকে ওই মহিলার সংস্পর্শে আসা প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কনট্যাক্ট  তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। সব মিলিয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চল্লিশ জনের তালিকা দেওয়া হয়েছিল। তাদের সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আক্রান্ত ওই নার্সের স্বামী, দুই ছেলে ও শাশুড়ি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রয়েছেন।

আক্রান্ত ওই মহিলার স্বামী বিদ্যুৎ দফতরে কাজ করেন।  স্ত্রী বাড়ি আসার পর তিনি বিদ্যুৎ দফতর, তাঁর কর্মক্ষেত্রে  যান। সেই কারণে বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিক কর্মীসহ অনেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। নিয়মিত তাঁদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎ দফতরের এক আধিকারিক জানান, ওই কর্মীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন বাইশ জনের তালিকা আমরা জেলা পুলিশের কাছে জমা দিয়েছিলাম। সেকেন্ডারি কনট্যাক্ট হিসেবে ওই বাইশ জনকে পুলিশের পক্ষ থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুত দফতরের দুটি অফিস স্যানিটাইজ করা হয়নি। ওই দুটি অফিস এখনও বন্ধ রয়েছে। ঘটনায় উদ্বিগ্ন ওই দুই অফিসের বাকি কর্মী আধিকারিকরাও।

যে গাড়িতে ওই নার্স কলকাতা থেকে বর্ধমানে এসেছিলেন সেই গাড়ি বিদ্যুৎ দফতরে ব্যবহার করা হয়। ওই মহিলাকে আনার পর গাড়ির চালক আরও কয়েক জন বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিককে ওই গাড়িতে চাপিয়ে ছিলেন। সেই সব আধিকারিকদের খুঁজে বের করা হয়েছে। পাশাপাশি গাড়ির চালক ও তার সংস্পর্শে আসা পুরুষ মহিলাদের সকলকেই হোম কোয়ারেন্টাইনে  থাকতে বলা হয়েছে। ওই নার্সের বাড়িতে যিনি পরিচারিকার কাজ করতেন তিনি এবং তার সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও হোম কোয়ারেন্টাইনে  থাকতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। চোদ্দ দিন আলাদাভাবে থাকতে বলা হয়েছে। এই সময় তাদের বাড়ির বাকিদের সংস্পর্শে না আসতে বলা হয়েছে। বাড়ির বাইরে একেবারেই না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাদের।

SARADINDU GHOSH

Published by:Piya Banerjee
First published: