দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

টিটেনাস নিতে গেলেন গৃহবধূ, প্রেসারের ইঞ্জেকশন দিলেন নার্স! উত্তেজনা ভাটপাড়া হাসপাতালে

টিটেনাস নিতে গেলেন গৃহবধূ, প্রেসারের ইঞ্জেকশন দিলেন নার্স! উত্তেজনা ভাটপাড়া হাসপাতালে
অভিযোগকারিণী অনামিকা দাস৷

এই ঘটনার পরই তিনি বাড়ির লোকজনকে খবর দেন। অনামিকা দাসের দাবি, ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

  • Share this:

#ভাটপাড়া: পায়ে পেরেক ফোটায় হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে টিটেনাস ইঞ্জেকশন নিতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। কিন্তু তার বদলে প্রেসারের ইঞ্জেকশন দিয়ে দিলেন সরকারি হাসপাতালের নার্স৷ যার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন ওই গৃহবধূ৷ সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এমনই গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল উত্তর চব্বিশ পরগণার ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে৷

ভাটপাড়া হাসপাতালের কাছেই মণ্ডলপাড়ার স্থিরপাড়ায় বাড়ি অনামিকা দাসের। বাড়ির কাজ করতে করতে পায়ে পেরেক ফোঁটায় অনামিকা দাস একাই যান হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের কাছে।  সেখানে চিকিৎসক তাঁকে টিটেনাস ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। সরকারি হাসপাতালে রোগীর ভিড় থাকায় একের পর এক নাম ডেকে নার্স প্রেসক্রিপশন দেখে ওষুধ দিয়ে থাকেন। অনামিকা দাসের ক্ষেত্রেও তার কোন ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁকেও নার্স  ডেকে হাতে ইঞ্জেকশন দেন। তারপর  মিনিট পাঁচেক সেখানেই  বিশ্রাম নিতে থাকেন ওই গৃহবধূ।

ইতিমধ্যে আবার তাঁর নাম ধরে ডাকা হয় বলে জানান অনামিকা দাস।তাঁর দাবি দ্বিতীয় বার নাম ডাকায় তিনি বলেন  তাঁর ইঞ্জেকশন নেওয়া হয়ে গিয়েছে।অনামিকা নার্সকে প্রশ্ন করেন, কেন আবার তার নাম ডাকা হল? অনামিকার দাবি, নার্স উত্তরে বলে এবার টিটেনাসের ইঞ্জেকশন দেওয়া হবে। অনামিকা  পাল্টা জিজ্ঞাসা করেন আগের ইঞ্জেকশন য টা দেওয়া হয়ছে তাঁকে, সেটা তাহলে কীসের ছিল? ওই গৃহবধূর দাবি, তখনই নার্স  তাঁকে বলে ফেলেন প্রেসারের ইঞ্জেকশন দিয়ে দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার রাতে নিজের বাড়িতে শুয়ে এমনই অভিযোগ করেন অনামিকা দাস।

এই ঘটনার পরই তিনি বাড়ির লোকজনকে খবর দেন। অনামিকা দাসের দাবি, ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ইমারজেন্সি বিভাগে তিনি ঞ্জান হারিয়ে ছিলেন বলে অভিযোগ অনামিকা দাসের স্বামী রাজু দাসের।তিনি অভিযোগ করনে, তাঁর স্ত্রীর ভুল চিকিৎসা হয়েছে হাসপাতালে। রোগূর যদি খারাপ কিছু হত তার দায় কে নিত, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন তিনি।

মানুষ ভরসা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যায়। সেখানেই এমন ভুল চিকিৎসা হলে মানুষ যাবে কোথায় প্রশ্ন তাঁর। তাঁদের অভিযোগ, ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে টিটেনাসের ইঞ্জেকশন দেওয়ার কথা লিখে দিলেও অনামিকা দাসকে প্রেসারের ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়ছে। অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসকেরা এসে ওই গৃহবধূর চিকিৎসা শুরু করেন। কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠলে অনামিকাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে অনামিকা দাসের বাড়ির লোকজন হাসপাতালে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাটপাড়া থানার পুলিশ। তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা।অনামিকা দাসের স্বামীর দাবি, অভিযুক্ত নার্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ প্রসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

Rajarshi Roy

Published by: Debamoy Ghosh
First published: October 31, 2020, 9:31 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर