corona virus btn
corona virus btn
Loading

গোষ্ঠী সংক্রমণের জেরেই বর্ধমানে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, মত জেলা প্রশাসনের

গোষ্ঠী সংক্রমণের জেরেই বর্ধমানে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা, মত জেলা প্রশাসনের

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ এসেছে।

  • Share this:

 #বর্ধমান: শহর জুড়ে গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে বলে মনে করছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। শহরের প্রায় সব এলাকা থেকেই করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার সংক্রমণ। দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে যাওয়ার কোনও রকম হিস্ট্রি নেই এমন অনেকেই করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন বলে জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত চব্বিশ ঘন্টায়  এই শহরে ৪৯জন আক্রান্ত হয়েছেন। আরও অনেকের দেহেই করোনার উপসর্গ রয়েছে।গোষ্ঠী সংক্রমণ ছাড়া এভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়া সম্ভব নয় বলে মনে করছে জেলা প্রশাসন।

পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক বিজয় ভারতী জানান, বর্ধমান শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডের বেশিরভাগ এলাকা থেকেই সংক্রমণের প্রমাণ মিলেছে। তাই গোষ্ঠী সংক্রমণ চলছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই সময়ে বাসিন্দাদের অতি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ঘরের বাইরে প্রয়োজন ছাড়া না বেরোনোই ভালো। একান্তই বেরোতে হলে মাস্কে মুখ ঢেকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা জরুরি। সেই সঙ্গে বাড়িতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা প্রয়োজন। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানান, বর্ধমান শহরের আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেরই কলকাতার যোগ রয়েছে। অনেকে কলকাতায় গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন।তাদের অনেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে তাঁরা করোনা পজিটিভ হন। আবার এমন অনেকেরই দেহে করোনার সংক্রমণ মিলেছে যাঁরা এলাকার বাইরে দীর্ঘদিন পা রাখেননি। তা ছাড়া যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তা গোষ্ঠী সংক্রমণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত জেলা শাসক রজত নন্দা বলেন, সংক্রমণ ঠেকাতে পরীক্ষা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে পরীক্ষা বাড়ানোর নির্দেশ এসেছে। আপাতত কন্টেইনমেন্ট জোন এলাকায় এবং বর্ধমান মেডিকেলের সারি ওয়ার্ডের রোগীদের পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তাদের অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে ।এছাড়াও শহরে কিভাবে পরীক্ষা আরও  বাড়ানো যায় তার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরীক্ষা বাড়িয়ে করোনা আক্রান্তদের যত বেশি আলাদা করা যাবে ততই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা কমবে। পরীক্ষা না হলে আক্রান্তদের হদিশ পাওয়া সম্ভব নয়  যতদিন তাদের চিহ্নিত করা না যাচ্ছে ততদিনে তারা নিজেরা চিকিৎসা পাবেন না, আবার তাদের মধ্য দিয়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে। তাই পরীক্ষা বাড়িয়ে আক্রান্তদের আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই এখন অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।

SARADINDU GHOSH 

Published by: Piya Banerjee
First published: August 5, 2020, 12:22 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर