corona virus btn
corona virus btn
Loading

শীত জাঁকিয়ে পড়তেই খেঁজুর গুড় তৈরির ব্যস্ততা পূর্ব বর্ধমানে

শীত জাঁকিয়ে পড়তেই খেঁজুর গুড় তৈরির ব্যস্ততা পূর্ব বর্ধমানে

নলেন গুড় ছাড়া শীত ভাবতেই পারেন না ভোজন রসিক বাঙালি

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#পূর্ব বর্ধমান: কুয়াশায় মাখা কনকনে শীত। এই শীতেই খেঁজুর গাছ থেকে নেমে আসে বরফ শীতল রসের হাঁড়ি। শীত যত বেশি হয় রসও মেলে তত উৎকৃষ্টমানের। সেই রস ফুটিয়ে নলেন গুড় তৈরির ব্যস্ততা এখন পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে।

নলেন গুড় ছাড়া শীত ভাবতেই পারেন না ভোজন রসিক বাঙালি। নলেন গুড়ের রসগোল্লা কিংবা বাসমতী চাল দিয়ে নলেন গুড়ের পায়েস... এই 'চিরপুরাতন' অথচ 'চিরনতুন' স্বাদে মজে বাঙালি। সরুচাকলি, পাটিসাপটা, সাজ পিঠে, নলেন গুড় ছাড়া শীতকাল ভাবাই যায় না।

পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ও কালনা মহকুমা এখন সেই টাটকা নলেন গুড়ের গন্ধে মাতোয়ারা। কাটোয়া, কেতুগ্রামের উদ্ধারণপুর, দাঁইহাট, পূর্বস্থলীর গঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় প্রচুর খেঁজুর বাগান রয়েছে। সেই বাগান দু তিন বছরের চুক্তিতে লিজ নেয় শিউলিরা। খেঁজুর গাছ থেকে রস নামিয়ে যাঁরা গুড় তৈরি করেন তাঁদের স্থানীয় ভাষায় শিউলি বলা হয়। এক একটি গাছ লিজ নিতে বছরে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা খরচ পড়ে। অনেকে আবার একসঙ্গে খেঁজুরের বাগানও লিজ দেন।

শীতের আগে কয়েক মাস ধরে এই শিউলিরা গাছের পাতা কেটে গাছ পরিষ্কার রাখেন। পরিচর্যার ওপর রসের মান ও পরিমাণ দুটোই নির্ভর করে। শীতের শুরুতে গাছের গা চেঁছে, চুন দিয়ে ধোয়া পরিষ্কার মাটির হাঁড়ি ঝোলানো হয়। ভোরের আলো ফোটার সময় নামিয়ে আনা হয় টাটকা তাজা খেঁজুর রস। সেই রস ফোটানো হয় আয়তকার বড় পাত্রে। রোদ ওঠার আগেই ফুটিয়ে ফেলতে হয় এই রস নইলে গেঁজে নষ্ট হয়ে যায়। ফুটন্ত রস গাঢ় ও আঠাল হয়ে এলে তা নামিয়ে নেওয়া হয়। তৈরি হয় খাঁটি নলেন গুড়। সাধারণত, ৮ কেজি রস থেকে কমবেশি এক কেজি গুড় তৈরি হয়। গড়ে চারটে গাছ থেকে মেলে আট কেজি রস। বর্তমানে, কাটোয়া ও কালনা মহকুমার গ্রামে গ্রামে এই রস তৈরির কাজ চলছে। সেই গুড় পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।

Published by: Rukmini Mazumder
First published: December 23, 2019, 7:31 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर