দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

স্বস্তির খবর! বর্ধমানের অনেক ওয়ার্ডেই গত ২ সপ্তাহে মেলেনি করোনা আক্রান্তের খোঁজ

স্বস্তির খবর! বর্ধমানের অনেক ওয়ার্ডেই গত ২ সপ্তাহে মেলেনি করোনা আক্রান্তের খোঁজ

পূর্ব বর্ধমান জেলার ৬টি পুরসভার ৪৪ টি ওয়ার্ডকে করোনামুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন

  • Share this:

#বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলার ৬টি পুরসভার ৪৪ টি ওয়ার্ডকে করোনামুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। এই ওয়ার্ডগুলিতে গত ২ সপ্তাহে কোনও করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। বাকি এলাকাগুলিতেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে বলে তথ্য বিশ্লেষণ করে দাবি করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। যে এলাকায় এখনও করোনা আক্রান্তের প্রবণতা বেশি, সেইসব এলাকাগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ওই এলাকাগুলিতে কেন সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৬ টি পুরসভা রয়েছে। জেলার সদর শহর বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া,মেমারি, গুসকরা ও দাঁইহাট পৌরসভা এলাকায় কমবেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তবে সবচেয়ে বেশি বাসিন্দা আক্রান্ত হয়েছেন বর্ধমান পুরসভা এলাকায়।জেলার পুর শহরগুলির মধ্যে আক্রান্তের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কাটোয়া। গুসকরা ও দাঁইহাট পুরসভা এলাকায় কম আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। বর্ধমান শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪টি ওয়ার্ডে ২ সপ্তাহে কোনও করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। তেমনই মেমারি পুরসভার ৪টি ওয়ার্ডকে করোনামুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। কালনায় ১১টি ওয়ার্ডকে করোনা মুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কাটোয়ার ১৬টি ওয়ার্ডে গত ২ সপ্তাহে কোনও করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। গুসকরার একটি ও দাঁইহাট পুরসভার ৮টি ওয়ার্ডকে করোনামুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, এই ওয়ার্ডগুলিতে যাতে নতুন করে আর করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে না পারে তা নিশ্চিত করতে সব রকম উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও জেলা জুড়ে সকলকেই মাস্কে মুখ ঢাকা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই জেলার বিভিন্ন এলাকার করোনা সংক্রমণের হার আলাদা-আলাদা। কিছু কিছু এলাকায় সংক্রমণের হার অনেক বেশি। আবার অনেক এলাকায় সংক্রমণ অনেক কম। কেন এমনটি হচ্ছে তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশি সংক্রমিত এলাকাগুলিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে সেখানে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by: Rukmini Mazumder
First published: October 2, 2020, 8:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर