বন্ধ মিড ডে মিল, নিউজ ১৮ বাংলার পেজে খবর পড়ে স্তম্ভিত প্রবাসী বাঙালি অর্থনীতিবিদ 

বন্ধ মিড ডে মিল, নিউজ ১৮ বাংলার পেজে খবর পড়ে স্তম্ভিত প্রবাসী বাঙালি অর্থনীতিবিদ 
টানা ৫ দিন যাবত বন্ধ মিড ডে মিল

৫ দিন ধরে শতাব্দী প্রাচীন হাইস্কুলে বন্ধ মিড ডে মিল, খবর পড়ে স্তম্ভিত প্রবাসী বাঙালি অর্থনীতিবিদ 

  • Share this:

#কলকাতা: শতাব্দী প্রাচীন স্কুলে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ মিড ডে মিল। নিউজ ১৮ বাংলায় এই খবর পড়ে হতবাক সেই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র তথা বর্তমানে আমেরিকা নিবাসী ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সজল লাহিড়ী। ১০ জানুয়ারি নিউজ ১৮ বাংলার পেজে পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটি হাই স্কুলের ছাত্ররা মিড-ডে-মিল থেকে বঞ্চিত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। খবরে প্রকাশ হয়, টানা ৫ দিন যাবত বন্ধ মিড ডে মিল। স্কুলে এলেও খাবার পাচ্ছে না পড়ুয়ারা। রান্নাঘরে গুছিয়ে রাখা মিড ডে মিলের সামগ্রী। তবে প্রধান শিক্ষক উত্তম রায়ের দেখা নেই। আর সেকারণেই স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে পড়েছে তালা। অভিযোগ ওঠে, প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট সুপারভাইজারের দাবি মিড ডে মিল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন প্রধান শিক্ষক। স্কুলের প্রাক্তন কৃতি ছাত্র তথা প্রবাসী অর্থনীতিবিদ সজল লাহিড়ী এই প্রতিবেদককে বলেন, 'আপনাদের সংবাদমাধ্যমে এই খবর পড়ে একজন প্রাক্তন ছাত্র হিসাবে আমার কাছে এই প্রতিবেদন অত্যন্ত বেদনার। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া দরকার'। সজলবাবুর কথায়, 'সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুনেছি সমস্যা মিটেছে। তবে আগামীদিনে যে ফের এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না তার নিশ্চয়তা কোথায়? তাই আমি মনে করি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের উচিত এ ব্যাপারে কড়া নজর রাখা। '

স্কুলের বর্তমান যে পরিস্থিতি তাতে পঠন-পাঠন থেকে শুরু করে দিন দিন ছাত্ররাও আগ্রহ হারাচ্ছে কুলটি হাই স্কুলের প্রতি। কেন এই অবস্থা? সে ব্যাপারেও প্রশাসনের উচিত ছাত্রদের পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে অবিলম্বে আলোচনায় বসা, মতামত কুলটি হাইস্কুলের অন্যান্য প্রাক্তনীদের। তবে প্রাক্তনীদের অন্যতম সজল লাহিড়ীর মতে এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বলে তিনি মনে করেন, স্কুল কর্তৃপক্ষের স্কুলের প্রতি অনীহা কে দায়ী করে তিনি বলেন, '১৯১৪ সালে এই স্কুল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। কিন্তু ঐতিহ্যশালী স্কুলের শতবার্ষিকী পালনের সামান্য কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি প্রশাসনের পক্ষ থেকে।' সাহিত্যিক বিমল কর, নাট্যব্যক্তিত্ব অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি তথা মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল অরুণ প্রসাদ মুখোপাধ্যায়-সহ অসংখ্য নামজাদা প্রাক্তনের তালিকায় কুলটি হাই স্কুল। সেই স্কুলের প্রতি অবহেলা স্কুল কে অপমান করা ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করে গর্জে ওঠেন প্রাক্তন তথা বর্তমান কুলটিবাসীর অনেকেই।

Venkateswar Lahiri
First published: January 18, 2020, 10:01 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर