দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

'নো মাস্ক নো লিকার' স্টিকার বর্ধমানে, বন্ধুর থেকে মাস্ক ধার নিয়েই মদের লাইনে

'নো মাস্ক নো লিকার' স্টিকার বর্ধমানে, বন্ধুর থেকে মাস্ক ধার নিয়েই মদের লাইনে

মদের দোকান খোলার খবর ঘোষণা হয়েছিল রবিবার বিকেলে। তারপর থেকেই উৎসাহ দেখা যায় সুরাপ্রেমীদের মধ্যে।

  • Share this:

সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই। মদের দোকানের কাউন্টার খুললো কোথাও দুপুর তিনটেয়, কোথায় বিকেল পাঁচটায়, আর তখনই মদ কিনতে হুড়োহুড়ি  সুরাপ্রেমীদের।

অনেক জায়গাতেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা ভুললেন অনেকেই। কোথাও আবার  মদের দোকানের সামনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ফেলা হল সাইকেলের টায়ার।  সেই টায়ারে না দাঁড়ালে মদ পাওয়া যাবে না - ঘোষণা বিক্রেতার। তাই বাধ্য হয়ে ভালো ছেলের মতো টায়ারে দাঁড়ালেন সুরাপ্রেমীরা। অনেক জায়গায় লেখা নো মাস্ক নো লিকার। মাস্ক ছাড়াও  দাঁড়িয়ে ছিলেন অনেকেই।  কিন্তু এ লাইন কি ছাড়া যায়। তাঁরা মদ কিনলেন বন্ধুর মাস্ক ধার করে।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সাধের মদের বোতল ব্যাগে ঢুকিয়ে তৃপ্ত অনেকেই। বললেন, অনেক দিন পর পেলাম। আজ একটু তৃপ্তি করে পান করা যাবে।  এতদিন মদ বিক্রি যে হচ্ছিল না তা নয়। বিক্রি হচ্ছিল লুকিয়ে চুরিয়ে। সিল করা দোকানের পেছনের দরজা দিয়ে। কালোবাজারিতে মদ মিলছিল দেদার। তবে তার দাম ছিল অনেক বেশি। অভিযোগ, পাঁচশো টাকার মদ বিক্রি হচ্ছিল আঠারোশো টাকা থেকে দু হাজার টাকায়। তবে তার নাগাল পাননি অনেকেই।

মদের দোকান খোলার খবর ঘোষণা হয়েছিল রবিবার  বিকেলে। তারপর থেকেই উৎসাহ দেখা যায় সুরাপ্রেমীদের মধ্যে। সোমবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইন পড়ে যায় শহরের বিভিন্ন মদের দোকানে। অনেক দোকানের স্টক ছিল না। চাহিদার তুলনায় জোগান ছিল সীমিত। তাই অনেকেই মদ আমদানির ওপর জন্য অপেক্ষা করেছেন। অনেকের কাছে আবার দোকান খোলার অনুমতি পত্র এসেছে অনেক দেরিতে। সন্ধে সাতটা। তখনও মদের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন। কোথাও তখন দেড়শো, কোথাও আড়াইশো মানুষের লাইন। তবে সন্ধে সাতটা বাজতেই পুলিশ গিয়ে আজকের মতো মদের দোকান বন্ধ করে দেয়। যাঁরা পাননি তারা আশাহত হয়ে বাড়ি ফেরেন। আগামী কাল আবার চেষ্টা করার অপেক্ষায় তারা। মঙ্গলবার থেকে দোকান খুলবে বেলা বারোটায়। বন্ধ হবে সন্ধ্যা সাতটায়।

Published by: Arindam Gupta
First published: May 4, 2020, 11:55 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर