• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • ভাড়া নেই, শান্তিনিকেতনে দোল না থাকায় হতাশ বর্ধমানের গাড়ি ব্যবসায়ীরা 

ভাড়া নেই, শান্তিনিকেতনে দোল না থাকায় হতাশ বর্ধমানের গাড়ি ব্যবসায়ীরা 

বর্ধমানের ঢলদিঘি মোড়, পুলিশ লাইন, রেল স্টেশন সব স্ট্যান্ডেই এক ছবি।

বর্ধমানের ঢলদিঘি মোড়, পুলিশ লাইন, রেল স্টেশন সব স্ট্যান্ডেই এক ছবি।

বর্ধমানের ঢলদিঘি মোড়, পুলিশ লাইন, রেল স্টেশন সব স্ট্যান্ডেই এক ছবি।

  • Share this:

#বোলপুর: করোনার জেরে শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় বর্ধমানের গাড়ি ব্যবসায়ীরা। প্রতি বছর দোলের সময় বর্ধমানে ভাড়া গাড়ির ব্যাপক চাহিদা দেখা দেয়। বেশিরভাগ গাড়িই যায় শান্তিনিকেতনে। চাহিদার সঙ্গে পালা দিয়ে বাড়ে ভাড়া। অনেকে বাড়তি টাকা ভাড়া দিতে চেয়েও গাড়ি পান না। কিন্তু এবার বোলপুরে বসন্ত উৎসব বন্ধ হওয়ায় উল্টো ছবি বর্ধমানের গাড়ি স্ট্যান্ডগুলিতে। দিনভর অপেক্ষায় থেকেও যাত্রী না পেয়ে হতাশ তাঁরা।

দোল পূর্ণিমায় রঙ খেলা হয় না বর্ধমানে। এই শহরে রঙের উৎসব পরদিন। দোল পূর্ণিমায় তাই বর্ধমানের বাসিন্দাদের অনেকেই সদলবলে শান্তিনিকেতনে যান। আগের দিন থেকেই শুরু হয়ে যায়। দোলের আগের দিনই বোলপুর পৌঁছে যেতেন অনেকেই। বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে গাড়ি ভাড়া করে শান্তিনিকেতন যেতেন কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দারা। তাই দোলে বর্ধমানে গাড়ির চাহিদা তুঙ্গে থাকে।

কিন্তু এবার বর্ধমান শহরের বিভিন্ন স্ট্যান্ডে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাড়ি। বর্ধমানের ঢলদিঘি মোড়, পুলিশ লাইন, রেল স্টেশন সব স্ট্যান্ডেই এক ছবি। গাড়ি চালকরা বলছেন, দোলের সময় ট্রাভেল এজেন্সিগুলি গাড়ির ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেয়ে যায়। দোলের আগের দিন তো বটেই দোলের দিন সকালেও গাড়ির প্রচুর চাহিদা থাকে। অনেকেই বাড়তি টাকা দিয়েও গাড়ি ভাড়া করে। বেশির ভাগ গাড়িই যায় বোলপুর শান্তিনিকেতন। কিন্তু এবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ করোনা সতর্কতার জেরে দোল উৎসব বন্ধ ঘোষনা করেছে। তাই এবার আর গাড়ির কোনও চাহিদাও নেই। যাঁরা আগেভাগে গাড়ি বলে রেখেছিলেন তাঁরাও ইতিমধ্যেই তা বাতিল করেছেন।

শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব বন্ধ হওয়ায় হতাশ বর্ধমানের বাসিন্দাদের অনেকেই। তাঁরা বলছেন, শান্তিনিকেতনে আবির খেলে খোয়াইয়ে ঘুরে ফিরে এসে পরদিন বর্ধমানে দোল খেলা নিয়মে পরিণত হয়েছিল। এবার তা হবে না। আনন্দটা অনেকটাই কমে গেল।  এখন অন্যভাবে বসন্ত উৎসব পালনের ভাবনা চিন্তা করতে হচ্ছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: