corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিকল হয়ে পড়েছে বিদ্যুতের বহু ট্রান্সফর্মার, বিদ্যুতের দেখা নেই পূর্ব বর্ধমানের অনেক এলাকায়

বিকল হয়ে পড়েছে বিদ্যুতের বহু ট্রান্সফর্মার, বিদ্যুতের দেখা নেই পূর্ব বর্ধমানের অনেক এলাকায়

শুধু বর্ধমান শহর ও তার আশপাশ এলাকাতেই শতাধিক বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। জেলা জুড়ে অগুনতি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: শুধু বর্ধমান শহর ও তার আশপাশ এলাকাতেই শতাধিক বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে।  জেলা জুড়ে অগুনতি বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। বিকল হয়ে পড়েছে বিদ্যুতের বহু ট্রান্সফর্মার। সে সবের জেরে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি জেলার বিস্তীর্ণ এলাকাতেই। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছেন বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। শহর এলাকায় বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ এলেও গ্রামীণ এলাকাগুলোর মধ্যে অনেক জায়গাই গতকাল দুপুর থেকে চব্বিশ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎহীন হয়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে সন্ধে গড়িয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিদ্যুৎ কর্মীরা। বর্ধমান শহরের তিন নম্বর ইছলাবাদ, বড় নীলপুর, গোলাপবাগ সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বড় বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। গাছ ভেঙে, তার ছিঁড়ে অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে অনেক জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি মাঝখান থেকে ভেঙ্গেও গিয়েছে। এসবের জেরে বুধবার দুপুর থেকেই বর্ধমান শহরের অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। বর্ধমানের কালীবাজার এলাকায় গতকাল দুপুর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত  বিদ্যুৎ ছিল না। অনেক জায়গায় এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ দেখা মেলেনি। কালনা,পূর্বস্থলী, মন্তেশ্বর, মেমারি, জামালপুর, আউসগ্রাম, রায়না, খন্ডঘোষের অনেক জায়গাতেই এখনও বিদ্যুতের তারের উপর গাছ উপড়ে পড়ে রয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরাা জানিয়েছেন, গাছ কেটে সরানোর পর বিদ্যুতের খুঁটি সোজা করে পুনরায় তারের সংযোগ করতে দীর্ঘ সময় লাগছে। দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঝড় চলেছে। তাতে বেশ কয়েকশো বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে বা ভেঙে পড়েছে। বহু জায়গায় গাছের ডাল পড়ে তার ছিঁড়ে গিয়েছে। সেইসব সারাই করে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে স্বাভাবিক কারণেই বাড়তি সময় লাগছে। যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যুত পরিষেবা স্বাভাবিক করতে জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন কর্মীরা। অনেক এলাকাতেই পাইপ লাইনে পানীয় জল সরবরাহের পরিকাঠামো নেই। সেই সব এলাকার বাসিন্দারা সাবমার্সিবলে মাটির তলার জল পানের জন্য ব্যবহার করেন। বিদ্যুত না থাকায় অনেক এলাকাতেই পানীয় জলের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

Published by: Akash Misra
First published: May 21, 2020, 6:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर