Nimtita Blast Case: ফের তৃণমূল প্রার্থীকে NIA-এর তলব! রহস্যের নাম নিমতিতা বিস্ফোরণ

রহস্য বাড়ছে নিমতিতা কাণ্ডে

সুতির তৃণমূল প্রার্থী ইমানি বিশ্বাসকে ডেকে আগে একবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনআইএ। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর চূড়ান্ত ভোট ব্যস্ততার মধ্যে ফের ডাক পড়ল ওই তৃণমূল প্রার্থীর।

  • Share this:

    #মুর্শিদাবাদ: রাজ্য সরকারের তদন্ত সংস্থার হাতে যতদিন তদন্তভার ছিল, ততদিন শাসক দলের উপর কোনও নজর পড়েনি নিমতিতা কাণ্ডে। কিন্তু মার্চের শুরুতেই নিমতিতা বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ NIA। বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে নিমতিতা কাণ্ডের তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে যাওয়া নিয়ে আগেই জোর জল্পনা ছিল। অন্যান্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মতো এই তদন্তেও এনআইএ তদন্তের নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছিলেন এ রাজ্যের শাসক দলের নেতারা। সেই জল্পনা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ মিলেছিল আগেই। সুতির তৃণমূল প্রার্থী ইমানি বিশ্বাসকে ডেকে আগে একবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনআইএ। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর চূড়ান্ত ভোট ব্যস্ততার মধ্যে ফের ডাক পড়ল ওই তৃণমূল প্রার্থীর।

    শাসক শিবিরের অভিযোগ, যে বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন স্বয়ং এক বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক, সেই কাণ্ডের তদন্তে এবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অন্য এক কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীকে। ফলে সারদা, নারদার মতো নিমতিতা কাণ্ডেও জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে 'রাজনৈতিক' তদন্ত চালানোর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছেন।

    গত ১৮ মার্চ প্রথম বার ইমানি বিশ্বাসকে ডেকে পাঠিয়েছিল এনআইএ। তিনি তাতেও সাড়াও দেন। প্রায় চার ঘণ্টা তাঁকে জেরা করেন তদন্তকারীরা। এনআইএ সূত্রে খবর, সেই জিজ্ঞাসাবাদেও সন্তুষ্ট হতে পারেননি তদন্তকারীরা। তাই ফের তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইমানি বিশ্বাসকে ফের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যা নিয়ে বিজেপিকেই নিশানা করছে শাসক দল।

    প্রসঙ্গত, নিমতিতা কাণ্ডের পর থেকে সিআইডি এই ঘটনার তদন্ত করছিল। কিন্তু গত ২ মার্চ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, NIA-এর হাতে যায় রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর বোমাবাজির ঘটনার তদন্তভার। এরপরই নতুন করে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। সেই মামলাতেই এ নিয়ে দুবার মুর্শিদাবাদের সুতির তৃণমূল প্রার্থী ইমানি বিশ্বাসকে ডেকে পাঠানো হল। নিমতিতা বিস্ফোরণের ওই ঘটনায় জাকির হোসেন ছাড়াও আরও মোট ২২জন জখম হয়েছেন। সিআইডি যাদের গ্রেফতার করেছিল, তাঁদের নাম, আবু সামাদ এবং সইদুল ইসলাম। ভারতীয় দন্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করাও হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ নিমতিতা স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায়।

    Published by:Suman Biswas
    First published: