তদন্তে NIA আসতেই নিমতিতা কাণ্ডে নিশানায় তৃণমূল, প্রার্থীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ!

তদন্তে NIA আসতেই নিমতিতা কাণ্ডে নিশানায় তৃণমূল, প্রার্থীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ!

নিমতিতা তদন্তে এনআইএ

যে বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন স্বয়ং এক বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক, সেই কাণ্ডের তদন্তেই এবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল অন্য এক কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীকে।

  • Share this:

    #মুর্শিদাবাদ: চলতি মাসের শুরুতেই নিমতিতাকাণ্ডের তদন্তভার নিয়েছে NIA। বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে নিমতিতা কাণ্ডের তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে যাওয়া নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই জল্পনা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ মিলল এদিনই। কারণ যে বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত হয়েছিলেন স্বয়ং এক বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক, সেই কাণ্ডের তদন্তেই এবার ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল অন্য এক কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীকে। ফলে সারদা, নারদার মতো নিমতিতা কাণ্ডেও জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে 'রাজনৈতিক' তদন্ত চালানোর অভিযোগ উঠতে শুরু করেছেন।

    নিমতিতা কাণ্ডের পর থেকে সিআইডি এই ঘটনার তদন্ত করছিল। এরপর গত ২ মার্চ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় রাজ্যের মন্ত্রীর উপর হামলার ঘটনার তদন্তভার। এরপরই নতুন করে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছিল এনআইএ। সেই মামলাতেই এবার মুর্শিদাবাদের সুতির তৃণমূল প্রার্থী ইমানি বিশ্বাসকে ডেকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করল এনআইএ। প্রায় তিন ঘণ্টা জেরা করা হয় তাঁকে। ফলে ঘটনায় ফের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে তৃণমূল।

    রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেনের উপর বোমাবাজির ঘটনায় আগেই দু’জনকে গ্রেফতার করছিল সিআইডি। ঘটনায় আরও মোট ২২জন জখম হয়েছেন। সিআইডি যাদের গ্রেফতার করেছিল, তাঁদের নাম, আবু সামাদ এবং সইদুল ইসলাম। ভারতীয় দন্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করাও হয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে।

    ধৃতদের সঙ্গে কোনও জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে কী না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছিল সিআইডি তদন্তে। ধৃত সহিদুল বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ নিমতিতা স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনায় জোর চাঞ্চল্য ছড়ায়। এই ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হন জাকির হোসেন। ভোটের মুখে রাজ্যের মন্ত্রীর উপর হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। এরপরই তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। আর তারপরই তৃণমূল প্রার্থীকে ডেকে জেরা করায় নতুন করে আলোড়ন পড়ে নিমতিতাকাণ্ডে।

    Published by:Suman Biswas
    First published:

    লেটেস্ট খবর