• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • এগিয়ে বাংলা: বাঁকুড়া জেলা পর্যটনে নতুন সংযোজন ঝিলিমিলির পর্যটনকেন্দ্র

এগিয়ে বাংলা: বাঁকুড়া জেলা পর্যটনে নতুন সংযোজন ঝিলিমিলির পর্যটনকেন্দ্র

যদি শহর থেকে অনেক দূরে যেতে মন চায়? যদি মন চায় হারিয়ে যেতে? চেনা কোনও জায়গায় নয়। অচেনা নিরিবিলিতে দু'দণ্ড শান্তি খুঁজে নিতে ইচ্ছে করে? উপায় আছে বৈকি।

যদি শহর থেকে অনেক দূরে যেতে মন চায়? যদি মন চায় হারিয়ে যেতে? চেনা কোনও জায়গায় নয়। অচেনা নিরিবিলিতে দু'দণ্ড শান্তি খুঁজে নিতে ইচ্ছে করে? উপায় আছে বৈকি।

যদি শহর থেকে অনেক দূরে যেতে মন চায়? যদি মন চায় হারিয়ে যেতে? চেনা কোনও জায়গায় নয়। অচেনা নিরিবিলিতে দু'দণ্ড শান্তি খুঁজে নিতে ইচ্ছে করে? উপায় আছে বৈকি।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া:  যদি শহর থেকে অনেক দূরে যেতে মন চায়? যদি মন চায় হারিয়ে যেতে? চেনা কোনও জায়গায় নয়। অচেনা নিরিবিলিতে দু'দণ্ড শান্তি খুঁজে নিতে ইচ্ছে করে? উপায় আছে বৈকি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে বাঁকুড়া জেলা পর্যটনে নতুন সংযোজন ঝিলিমিলির পর্যটনকেন্দ্র। রিমিল গেস্ট হাউসের বারান্দায় বসে দু'চোখ ভরে দেখে নেওয়া যাবে সবুজ পাহাড়।

    বাঁকুড়ায় মুকুটমণিপুর বা বিষ্ণুপুরের মত চেনা কোনও পর্যটনকেন্দ্র নয়। বাঁকুড়া জেলাতেই শান্ত ছায়া ঘেরা অচেনা এক জায়গার খোঁজ। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঝিলিমিলিতে গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র। শহর থেকে মাত্র সত্তর কিলোমিটার দূরে পাহাড় আর জঙ্গলে ঘেরা তৈরি হয়েছে রিমিল গেস্ট হাউস। প্রকৃতির মাঝে কয়েকদিনের জন্য হারিয়ে যাওয়ার জন্য থাকার ব্যবস্থাও। পর্যটকদের জন্য নতুন চমক ট্রি হাউসও। সিমেন্টের তৈরি গাছের উপর তৈরি বাড়ি আকর্ষণের মূল কেন্দ্রবিন্দু।

    ঝিলিমিলিতে পর্যটনকেন্দ্র ---------------------------- - ২০০৫ সালে তৈরি হয় রিমিল গেস্ট হাউস - ২০১৭ সালে পর্যটনকেন্দ্রটিকে সাজানোর নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর - পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ থেকে ৫৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ - পরে অতিরিক্ত বরাদ্দে তৈরি ট্রি হাউস, টেন্ট হাউস ও বাম্বু হাউস - রিমিল গেস্ট হাউসের ভাড়া ৮০০-২,০০০ টাকার মধ্যে - শিশুদের জন্য তৈরি হয়েছে পার্কও - গেস্ট হাউসে ঘিরে তৈরি হয়েছে কর্মসংস্থানও

    ঝিলিমিলির জঙ্গলে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্য ছাড়া হয়েছে হরিণ-ময়ূর ও জংলি বিড়াল। রিমিল থেকে খানিক দূরে দু'হাত বাড়িয়ে কাছে ডাকে সুতানের জঙ্গল, তালবেড়িয়া ড্যাম। মুকুটমণিপুর ঘুরতে গিয়ে উপরি পাওনা হিসেবে ঝিলিমিলির জঙ্গলকেই বেছে নিচ্ছেন পর্যটকরা।

    First published: