মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট পেতে হিমসিম খেতে হচ্ছে নতুন শিক্ষক শিক্ষিকাদের !

মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট পেতে হিমসিম খেতে হচ্ছে নতুন শিক্ষক শিক্ষিকাদের !

পূর্ব বর্ধমান জেলার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মেডিক্যাল পরীক্ষা হচ্ছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

  • Share this:

#বর্ধমান: মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট পেতে নাজেহাল হতে হচ্ছে সদ্য কাজে যোগ দেওয়া স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে শারীরিক সক্ষমতার প্রমাণ সংগ্রহ করতে হচ্ছে তাদের। পরীক্ষার মরশুমে সেই কাজ করতে অনেকেরই দু’তিন দিন সময় লেগে যাচ্ছে। অনেক স্কুলেই শিক্ষক শিক্ষিকারা সেই কাজে ছুটি দিয়ে অন্যান্য কাজ সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে। সব মিলিয়ে চরম সমস্যায় পড়েছেন এই শিক্ষক শিক্ষিকারা।

কাজে যোগ দেওয়া শিক্ষক শিক্ষিকাদের দু’বছরের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে। এক দেড় বছর আগে যে সব শিক্ষক শিক্ষিকারা চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তাঁদের এখন সেই মেডিক্যাল ফিটনেস সার্টিফিকেট তৈরির কাজ চলছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকারা বলছেন, কবে কোথায় কোন শিক্ষিক শিক্ষিকার মেডিকেল ফিটনেস টেস্ট হবে সে সংক্রান্ত কোনও তথ্যই এ জেলায় জানানো হয়নি। জেলা শিক্ষা দফতর বা স্কুল কোনও পক্ষই তাদের এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি।

পূর্ব বর্ধমান জেলার শিক্ষক শিক্ষিকাদের মেডিক্যাল পরীক্ষা হচ্ছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এ ব্যাপারে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেপুটি সুপার অমিতাভ সাহা বলেন, ‘‘শিক্ষা দফতর থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের তালিকা পাঠিয়ে তাদের মেডিকেল টেস্ট হবে বলে জানানো হয়েছিল। প্রচুর সংখ্যক শিক্ষক শিক্ষিকা আসবেন বুঝে আমরা একটি বড় আকারের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করেছিলাম। কোনদিন কোন শিক্ষিক শিক্ষিকাদের শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা হবে তার একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু সেই দিনগুলিতে একজন শিক্ষক শিক্ষিকাও আসেননি। এখন দু’একজন করে আসছেন। তাঁরা আউটডোরে বিভিন্ন বিভাগে গিয়ে পরীক্ষা করাচ্ছেন। আমরা যতটা সম্ভব সহযোগিতা করছি।’’

শিক্ষক শিক্ষিকারা বলছেন, বর্ধমান মেডিক্যালে যে ফিটনেস টেস্ট দিয়ে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে সে সংক্রান্ত কোনও তথ্যই তাঁদের কাছে ছিল না। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তা জানতে পেরে হাসপাতালে যাচ্ছেন তাঁরা। এক একটি বিভাগে লাইনে দাঁড়িয়ে ডাক্তার দেখাতেই দিন কাবার হয়ে যাচ্ছে। ডাক্তারবাবুরা আবার বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে দিচ্ছেন। সেইসব করে চূড়ান্ত রিপোর্ট পাওয়া কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপর রয়েছে ব্যাংকে গিয়ে চালান কাটার হ্যাপা। এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা দফতর উদ্যোগী হয়ে বিশেষ ক্যাম্প করুক চাইছেন এখনও মেডিক্যাল সার্টিফিকেট হাতে না পাওয়া শিক্ষক শিক্ষিকারা।

Saradindu Ghosh

First published: February 27, 2020, 3:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर