corona virus btn
corona virus btn
Loading

পলিথিনের চাদর! করোনা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ বর্ধমানের মিনি বাসে !

পলিথিনের চাদর! করোনা ঠেকাতে অভিনব উদ্যোগ বর্ধমানের মিনি বাসে !

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা মাথায় রেখে বাসগুলিকে সাজানো হয়েছে একটু অন্যরকম ভাবে।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আবহে যাত্রীদের সুরক্ষায় অভিনব উদ্যোগ দেখা গেল বর্ধমানের বেসরকারি টাউন সার্ভিস বাসগুলিতে। আনলক ওয়ানের হাত ধরে বর্ধমানে শুরু হয়েছে টাউন সার্ভিস বাস পরিষেবা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা মাথায় রেখে বাসগুলিকে সাজানো হয়েছে একটু অন্যরকম ভাবে। যাত্রীরা পাশাপাশি বসলেও তাঁরা যাতে একে অপরের সংস্পর্শে না আসেন তা নিশ্চিত করতে দুটি আসনের মাঝে দেওয়া হয়েছে স্বচ্ছ পলিথিনের পর্দা। এর ফলে হাঁচি কাশি থেকে শুরু করে নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে করোনার সংক্রমণ দূরে রাখা ঠেকানো যাবে বলে মনে করছেন বাস মালিকরা ও কর্মচারীরা।

বাসে উঠতে গেলেই যাত্রীদের হাতে দেওয়া হচ্ছে স্যানিটাইজার। বাসের ভেতরে রয়েছে সুরক্ষার আরও অভিনবত্ব। পাশাপাশি দুটি আসনে বসার ব্যবস্থা থাকলেও তার মাঝে পলিথিনের চাদর থাকায় অনেকটাই স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন যাত্রীরা। করোনার সংক্রমণের উদ্বেগ দূরে সরিয়ে তাঁরা যাতায়াত করছেন শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বাস মালিকদের এই ভাবনায় খুশির যাত্রীরা। করোনার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজানো হয়েছে চালকের কেবিনও। পলিথিনের চাদরে একেবারেই আলাদা করে দেওয়া হয়েছে চালকের আসন। বাস মালিকরা বলছেন, রাস্তায় বেরোনো মানেই বহু যাত্রী সংস্পর্শে আসতে হচ্ছে চালককে। তাই শুধু স্যানিটাইজার, মাক্স ব্যবহার যথেষ্ট নয়, চালককে বাকিদের থেকে দূরে রাখতে পলিথিনের ঘেরাটোপের এই বিশেষ কেবিন তৈরি করা হয়েছে। তাতে স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন চালকরাও।

বর্ধমান মিনিবাস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, করোনার সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ফলে বাসিন্দাদের অনেকেই এখনও নিজেদের গৃহবন্দি রাখাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছেন। তার মধ্যেও অনেককেই বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে আসতে হচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকেই বাসে গা ঘেষাঘেষি করে বসতে দ্বিধা বোধ করছেন। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে যাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবেই আমরা শহরে বিভিন্ন রুটের মোট নয়টি বাসে এই ব্যবস্থা করেছি। পলিথিনের চাদর দিয়ে প্রত্যেক যাত্রীকে আলাদা করা হয়েছে। এতে বাসে উঠে উদ্বেগ সরিয়ে যাত্রীরা স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করছেন।এই ধরনের বাসের সংখ্যা আমরা আরও বাস বাড়ানোর ভাবনা চিন্তা করছি।

SARADINDU GHOSH

Published by: Piya Banerjee
First published: June 3, 2020, 4:02 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर