• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কী কারণে খুন হতে হয়েছিল আকাঙ্খাকে? তদন্তকারীদের হাতে নয়া তথ্য

কী কারণে খুন হতে হয়েছিল আকাঙ্খাকে? তদন্তকারীদের হাতে নয়া তথ্য

খুনের পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা আধাকিরাকদের হাতে ৷

খুনের পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা আধাকিরাকদের হাতে ৷

খুনের পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা আধাকিরাকদের হাতে ৷

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: পরিকল্পনা করে খুন। খুনের কথা চেপে রাখতেও নিখুঁত ছকে অপারেশন। মুম্বইয়ের শিনা বোরা মতই আকাঙ্খার মৃত্যুর কথাও প্রকাশ্যে আসতে দিতে চায়নি উদয়ন। প্রেমিকাকে খুনের পরও ফেসবুকে আকাঙ্খার হয়ে লাগাতার পোস্ট, অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা, মেসেঞ্জারে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প - আকাঙ্খাকে জীবিত প্রমাণে এসবই চালিয়ে গিয়েছে উদয়ন। খুনের পর ফ্ল্যাটে মহিলা নিয়ে ফূর্তিও - মদের অভ্যাসও বাদ যায়নি।

    খুনের পর একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা আধিকারিকদের হাতে ৷ উদয়নের বাড়ি থেকে আকাঙ্খার লেখা চিঠি উদ্ধার করেছে পুলিশ ৷ চিঠিতে লং ড্রাইভে নিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে আকাঙ্খা ৷ ভোপাল শহরকেও ধন্যবাদ আকাঙ্খার চিঠিতে ৷ দেশ ছাড়ার কথাও উল্লেখ চিঠিতে ৷ তবে হাতের লেখা কি আকাঙ্খার? তা নিয়ে সংশয় রয়েই যাচ্ছে ৷ খতিয়ে দেখছে পুলিশ ৷ প্রয়োজনে হাতের লেখা পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে ৷

    তবে যে প্রশ্ন এখনও রয়ে গিয়েছে, তা হল কেন খুন করা হয়েছিল আকাঙ্খাকে ৷ জেরায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা গিয়েছে ৷ এক-উদয়ন আকাঙ্খাকে জানিয়েছিল যে সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত ৷ তাই প্রতিনিয়ত কবে তাকে সেখানে নিয়ে যাবে উদয়ন এই প্রশ্ন করতেই থাকত আকাঙ্খা ৷ অন্যদিকে আকাঙ্খা ছাড়াও উদয়নের একাধিক বান্ধবী ছিল ৷ উদয় জেরায় জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বহুবার বচসা হয়েছে ৷ ঘটনার দিনও এই বিষয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয় ৷ মাথা ঠিক রাখতে না পেরে শ্বাসরোধ করে তাকে খুন করে উদয়ন ৷

    আকাঙ্খা আর নেই। এটা যাতে কিছুতেই প্রকাশ না হয়, তার জন্য কোনও চেষ্টাই বাদ রাখেনি উদয়ন। যেভাবে খুনের  পরও শিনার অস্তিত্ব জিইয়ে রাখার ছক কষেছিলেন মা ইন্দ্রাণী, অনেকটা সেই পথে হেঁটেই খুনের খবর চেপে যাওয়ার চেষ্টা করে উদয়ন।

    আকাঙ্খার আগেও একাধিক মহিলাকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে থেকেছে উদয়ন। এ নিয়ে প্রতিবেশিদের সঙ্গে কথা কাটাকাটিও হয়। প্রভাবশালী বাবা-মায়ের জন্যই তাকে ঘাঁটাতে সাহস পেতেন না প্রতিবেশিরা। বেপরোয়া, উদ্ধত, অসংযমী জীবনযাপন অবশ্য উদয়নের কাছে নতুন নয়। স্কুল জীবন থেকেও এজন্য বারবার বিপদে পড়তে হয় উদয়নকে।

    উদয়নের ১২ জন গার্লফ্রেন্ডের হদিশ পেয়েছে ভোপাল পুলিশ। যারমধ্যে রিনা ও পূজা নামে দুই তরুণীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। ভোপালে উদয়নের বাড়িতে এদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল বলেও জানা গিয়েছে। তালিকার বাকি ১০ জনের খোঁজে চলছে তল্লাশি ৷

    First published: