পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবার শাসক দলের বেশ কয়েকজন নতুন মুখ প্রার্থী তালিকায়

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবার শাসক দলের বেশ কয়েকজন নতুন মুখ প্রার্থী তালিকায়

এবার বিধানসভার ষোলটি আসনের মধ্যে ছটি জায়গায় নতুন মুখকে প্রার্থী করল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

এবার বিধানসভার ষোলটি আসনের মধ্যে ছটি জায়গায় নতুন মুখকে প্রার্থী করল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

  • Share this:

#পূর্ব বর্ধমান : জেলায় এবার বিধানসভার ষোলটি আসনের মধ্যে ছটি জায়গায় নতুন মুখকে প্রার্থী করল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েকজন প্রার্থীর আবার আসন বদল হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারাকে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এই জেলায় শাসক দলের একমাত্র মহিলা প্রার্থী।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবার বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্র, রায়না,মেমারি, ভাতার,মঙ্গলকোট ও কালনা বিধানসভা কেন্দ্রে নতুন মুখ প্রার্থী করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে গত দু'বারের বিধায়ক ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। বয়সজনিত কারণে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলে কয়েকদিন আগেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর জায়গায় কে প্রার্থী হয় তা নিয়ে জেলাজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল ছিল। বর্ধমান পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলার খোকন দাসকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে।

রায়না কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধারা। কালনার বিধায়ক বিশ্বজিৎ কুণ্ডু তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রে কালনা পৌরসভার চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ বাগকে প্রার্থী করা হয়েছে। মেমারি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মধুসূদন ভট্টাচার্যকে। ভাতার কেন্দ্রে দল কাকে প্রার্থী করে তা নিয়ে জেলাজুড়ে কৌতূহল ছিল। এখানে বিধায়ক ছিলেন সুভাষ মণ্ডল। তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি দল। বদলে এলাকার প্রবীণ নেতা মান গোবিন্দ অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে। মঙ্গলকোটের বিধায়ক ছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তিনি ওই আসন থেকে দাঁড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁকে মন্তেশ্বরের প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর বদলে মঙ্গলকোটের প্রার্থী করা হয়েছে অপূর্ব চৌধুরীকে।

মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম এবং আউসগ্রাম বিধানসভা এলাকা দেখাশোনা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলকোটে অনুব্রত বা তাঁর অনুগামীরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছিলেন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সে কারণেই তিনি মঙ্গলকোটে দাঁড়াতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। মঙ্গলকোটের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অপূর্ব চৌধুরী অনুব্রত অনুগামী হিসেবে পরিচিত।

Saradindu Ghosh

Published by:Debalina Datta
First published: