জাতীয় সড়ক না জাতীয় লজ্জা! বর্ষা এলেই রাস্তা পুকুর, গর্তে পড়ে যায় গাড়ি

জাতীয় সড়ক না জাতীয় লজ্জা! বর্ষা এলেই রাস্তা পুকুর, গর্তে পড়ে যায় গাড়ি
Representative Image

বীরভূমের মধ্যে একশো কুড়ি কিলোমিটার পথ। পিচ উঠে পড়ে আছে কঙ্কাল। রাস্তার কঙ্কাল। এখানে, ওখানে গর্ত। গর্ত? না কি মরণ ফাঁদ!

  • Share this:

    #খড়গপুর: সড়ক যেন নরক। বর্ষা এলেই পুকুর। হাঁটু সমান গর্তে জমা জল। বীরভূমে, চোদ্দো নম্বর জাতীয় সড়ক যেন অভিশাপ। ধান রুইলে ধান হবে। পোনা ছাড়লে মাছ হবে। বর্ষায় চোদ্দো নম্বর জাতীয় সড়ক দেখলে, তাই মনে হবে। মুর্শিদাবাদের মোড়গ্রাম থেকে খড়গপুর। তিনশো ছয় কিলোমিটার লম্বা সড়ক গেছে বীরভূম হয়ে।

    বীরভূমের মধ্যে একশো কুড়ি কিলোমিটার পথ। পিচ উঠে পড়ে আছে কঙ্কাল। রাস্তার কঙ্কাল। এখানে, ওখানে গর্ত। গর্ত? না কি মরণ ফাঁদ! হাঁটতে গেলে হোঁচট খেতে হবে। গাড়িতে গেলে গাড্ডায় পড়তেই হবে। চোদ্দো নম্বর জাতীয় সড়কে এটাই দস্তুর। প্রাণ হাতে করে পেরোতে হবে পথ।


    রাস্তা সারানোর কাজ হয়। নাম কা ওয়াস্তে। জেসিবি মেশিন বড় বড় পাথর টুকরো করে পথে বিছিয়ে দেয়। (ছবি আছে)। পিচের প্রলেপ পড়ে না। রাস্তা আরও দুর্বিষহ হয়। জোড়া তাপ্পি দেওয়া রাস্তা, দু'দিন পর, যে কে সেই। শামুকের গতিতে চলছে সড়ক সারাই। আর হেলেদুলে। গোঁত্তা খেয়ে চলছে গাড়ি। অ্যাম্বুল্যান্সে রোগীর নাড়ি ছেঁড়ার উপক্রম। ভাঙা রাস্তায় যানজট।

    জাতীয় সড়ক বেহাল বলে, শহরের রাস্তা ধরছেন অনেকে। গাড়ির ফাঁস হাসফাঁস করছে সিউড়ি। দুবরাজপুর থেকে সিউড়ি পর্যন্ত জাতীয় সড়কের অবস্থাই সবচেয়ে খারাপ। পথের হাল কবে ফিরবে? রাস্তা থেকে পাক খেয়ে ওঠা ধুলোর ঝড়ে হারিয়ে যায় প্রশ্ন। আর চোদ্দো নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে, গাড়ি চলে নড়িতে নড়িতে। ঢিকির ঢিকির করতে করতে।

    Published by:Pooja Basu
    First published: