দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

১০ বছরের অপেক্ষার অবসান, মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ    

১০ বছরের অপেক্ষার অবসান, মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ    

বড়জাগুলিয়া থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৬৭ কিমি অংশে ১ সেপ্টেম্বর থেকে চার লেনের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হচ্ছে।

  • Share this:

#কলকাতা: জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে বারাসাত থেকে কৃষ্ণনগর অংশে দীর্ঘ ৮৪ কিমি অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ নিয়ে কাজ আটকে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে। প্রায় প্রতি বছর কয়েক দফা করে রাজ্যের সাথে বৈঠক হয়। কিন্তু জট কাটাতে যে দীর্ঘসূত্রিতা চলে আসছে তার জেরে কাজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে দু'বার ঠিকাদার সংস্থা বদলে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত বারাসত থেকে বড়জাগুলি ১৭ কিমি অংশে উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় জমি হাতে পায়নি ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়া  (NHAI)৷ তাই এই অংশে রাস্তা সম্প্রসারণ কবে হবে কেউ জানে না।

এনএইচএআই'য়ের জেনারেল ম্যানেজার আরপি সিং জানিয়েছেন, "বড়জাগুলিয়া থেকে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত ৬৭ কিমি অংশে ১ সেপ্টেম্বর থেকে চার লেনের সম্প্রসারণের কাজ শুরু হচ্ছে। পাশাপাশি যে সব জায়গায় রাস্তা খারাপ হয়েছে, সেখানেও প্যাচ ওয়ার্কের কাজ সম্পূর্ণ করতে বলা হয়েছে।"

উল্লেখ্য, যে যে অংশে কাজ এখনও আটকে, তার মধ্যে অন্যতম কৃষ্ণনগর থেকে বহরমপুর৷ এই অংশে ১১ কিমি রাস্তার মধ্যে ৭ কিমি অংশে কাজ চলছে। যদিও বর্ষার জেরে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। ৪ কিমি অংশে কাজের জন্যে এখনও জমি  মেলেনি। ফলে এই অংশেও কাজ আটকে। এর পরের অংশ মালদহ পর্যন্ত কাজ আটকে বিভিন্ন জায়গায়। ফারাক্কাতে নয়া ব্রিজ ভেঙে পড়ার ফলে কাজ শুরু হয়নি৷ মালদহ বাইপাসে জমির সমস্যার জন্যে কাজ আটকে। ঠিকাদারের সমস্যা হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে জমি না মেলায় কাজ শুরু করতে পারেনি তারা৷

মালদহ থেকে রায়গঞ্জ পর্যন্ত অংশে অবশ্য জমি মেলায় কাজ শেষ বলে জানাচ্ছে এনএইচএআই। ডালখোলা বাইপাসের কাজ ২০২১ সালে শেষ হয়ে যাবে। রায়গঞ্জ থেকে ডালখোলার মধ্যে বাকি যে অংশ থেকে গেছে সেখানে কাজ শেষ হয়ে যাবে ২০২২ সালে। আরপি সিং জানিয়েছেন, "জমির সমস্যা না মিটলে আমাদের কিছু করার নেই৷ বারবার রাজ্যকে অনুরোধ করছি এই সমস্যা মেটানোর জন্যে। না হলে সমস্যায় পড়তে হবে সাধারণ মানুষকে।"

ABIR GHOSHAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: August 31, 2020, 11:17 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर