নৈহাটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, গ্রেফতার অন্যতম পাণ্ডা মুন্না সাউ

নৈহাটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, গ্রেফতার অন্যতম পাণ্ডা মুন্না সাউ
নৈহাটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ

কারখানায় বাজির মশলা দিত মুন্না। মধ্যপ্রদেশ থেকে সড়কপথে আনত মশলা

  • Share this:

#নৈহাটি: অবশেষে পুলিশের জালে নৈহাটি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের অন্যতম পাণ্ডা। কাঁচরাপাড়া থেকে গ্রেফতার মুন্না সাউ। পুলিশের দাবি, মধ্যপ্রদেশ থেকে সড়কপথে বাজির মশলা এনে কারখানায় সরবরাহ করত মুন্না। সেই বাজি রাজ্য-সহ বিভিন্ন জায়গায় বিক্রিও করত মুন্না। ৩ জানুয়ারি নৈহাটির মামুদপুরে বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় ৪ জনের। আগেই কারখানার মালিক নুর হাসানকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাকে জেরা করেই মুন্নার হদিশ মেলে। শুক্রবার। বেলা বারোটা নাগাদ বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে নৈহাটির মামুদপুরের দেবক। বিকট আওয়াজে ভয়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন সবাই। বাজি কারখানায় আগুন-ধোঁয়া দেখে পুলিশ ও দমকলে খবর দেন স্থানীয়রা। উদ্ধার হয় ৪টি পোড়া দেহ। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় বাজি কারখানাটি। কারখানায় বিস্ফোরণের পরই এলাকায় দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর বেআইনি বাজি ও বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) থেকে নৈহাটির ছাইঘাটে সেই বাজিই নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছিল। পুলিশের সঙ্গে ছিলেন বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরাও। বৃহস্পতিবার সেই বাজি নিষ্ক্রিয় করতে গিয়েই হঠাৎ করে বিস্ফোরণ হয়।

নদীর একপাড়ে বিস্ফোরণ। কাঁপে উঠেছিল হুগলি নদীর ওপারের চুঁচুড়াও। নদীর দু'পাড়েই বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেওয়ালে ফাটল দেখা গিয়েছিল। উড়ে গিয়েছিল বাড়ির চাল। প্রতিবাদে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে ক্ষুব্ধ জনতা। নদীর পাড়ে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছিল বাজেয়াপ্ত বাজি ও বারুদ। একসঙ্গে প্রচুর বিস্ফোরক পোড়াতে গিয়ে হঠাৎই বিপত্তি। তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ এলাকা। ছুটে পালান স্থানীয়রা। তারপরই দেখা যায় আকাশজুড়ে মাশরুম আকৃতির ধোঁয়ার মেঘ। বৃহস্পতিবার নৈহাটির ছাইঘাটের বিস্ফোরণ যেন ফিরিয়ে আনে হিরোশিমার দৃশ্য।

First published: January 13, 2020, 11:24 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर