Home /News /south-bengal /
Nadia : পোস্ট অফিসেই প্রতারণার ফাঁদ! প্রয়াত স্বামীর জমানো লক্ষ লক্ষ টাকার সঞ্চয় হারালেন বৃদ্ধা

Nadia : পোস্ট অফিসেই প্রতারণার ফাঁদ! প্রয়াত স্বামীর জমানো লক্ষ লক্ষ টাকার সঞ্চয় হারালেন বৃদ্ধা

পোস্ট অফিসেই প্রতারণার ফাঁদ! প্রয়াত স্বামীর জমানো লক্ষ লক্ষ টাকার সঞ্চয় হারালেন বৃদ্ধা

পোস্ট অফিসেই প্রতারণার ফাঁদ! প্রয়াত স্বামীর জমানো লক্ষ লক্ষ টাকার সঞ্চয় হারালেন বৃদ্ধা

Nadia : স্বামীর সারাজীবনের রোজগারের সঞ্চিত টাকা তিনি জমিয়ে রেখেছিলেন পোস্ট অফিসে।

  • Share this:

    #নদিয়া: আবারও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল নদিয়ায় (Nadia)। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত শচীন রোড এলাকার বাসিন্দা আরতি রানি মণ্ডল এই অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাঁর স্বামী বেশ কিছু মাস হল মারা গিয়েছেন। ছেলে মেয়েদের সঙ্গে থাকেন না তিনি। নিজে একাই একটি বাড়িতে শেষ জীবন কাটাচ্ছেন। ছেলে মেয়েরা সেভাবে দেখাশোনা করে না। ফলে তাঁর একমাত্র সম্বল, তাঁর স্বামীর জমানো টাকা।

    স্বামীর সারাজীবনের রোজগারের সঞ্চিত টাকা তিনি জমিয়ে রেখেছিলেন পোস্ট অফিসে। কয়েকদিন আগেই পোস্ট অফিসে কিছু টাকা তুলতে গেলে তখন জানতে পারেন তাঁর অ্যাকাউন্টে পড়ে রয়েছে মাত্র ১০৬ টাকা। এই কথা শুনে স্বভাবতই বৃদ্ধার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে। তিনি দাবি করেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা ছিল। তখন তিনি পোস্ট অফিসের অ্যাকাউন্ট বই আপডেট করলে জানতে পারেন কোনও রকম অনুমতি ছাড়াই তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে দফায় দফায় কখনো ৪০০০০ কখনো ৫০০০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

    ওই বৃদ্ধা জানান, পোস্ট অফিসের কর্মীদের এর কারণ জিজ্ঞাসা করাতে কর্মীরা তাঁর প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। ওই বৃদ্ধা অভিযোগ করেন, হয়তো পোস্ট অফিসের কোনও কর্মীরাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। বৃদ্ধা এক আইনজীবীর সাহায্যে স্থানীয় কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি চাইছেন প্রশাসন অবিলম্বে তাঁর টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করুক। এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে তাঁদের শাস্তি দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন- কেরলে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের

    অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার (Nadia) পুলিশ। প্রসঙ্গত, বর্তমানে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা প্রতারণার অভিযোগে আসছে দিনের পর দিন। কখনও অনলাইন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে তুলে নেওয়া হচ্ছে টাকা। কখনও বা ফোন করে চেয়ে নেওয়া হচ্ছে ব্যাঙ্কের যাবতীয় তথ্য। যদিও ব্যাঙ্কের তরফ থেকে সর্বদাই সচেতন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ব্যাঙ্কের যাবতীয় তথ্য ফোন বা অনলাইনে কখনওই কারও সঙ্গে আদান প্রদান যাতে না করা হয় সেই ব্যাপারে সচেতন করা হচ্ছে। ব্যাঙ্কের কোনও রকম যাবতীয় তথ্য আদান-প্রদান করতে হলে সরাসরি গ্রাহক যাতে তার ব্যাঙ্কে গিয়ে আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন সেই ব্যাপারে বলা হচ্ছে। কিন্তু এর পরেও এত টাকা খুইয়েছেন বৃদ্ধা। একমাত্র সঞ্চয় হারিয়ে মাথায় হাত তাঁর।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    Tags: Nadia, West bengal

    পরবর্তী খবর