Home /News /south-bengal /
Nadia News: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে মাথায় হাত কৃষকদের! ধান চাষের জমিতে জমছে জল

Nadia News: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে মাথায় হাত কৃষকদের! ধান চাষের জমিতে জমছে জল

বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে জমিতে জমছে জল,

বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির জেরে জমিতে জমছে জল,

Nadia News:ঘূর্ণিঝড়ের ফলে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের জন্য ধানের জমিতে জল জমে যাচ্ছে, ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে চাষিদের

  • Share this:

    #নদিয়া: তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে অনেকেই চাইছিলেন কালবৈশাখীর বৃষ্টি। গরম থেকে রেহাই পেতে অবশেষে রাজ্যে হল কালবৈশাখী। তার রেশ কাটতে না কাটতে এসেছে আরও এক বিপদ। কিছুদিন ধরেই লাগাতার বৃষ্টি হয়ে চলেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। তার মধ্যে বাদ যায়নি নদিয়াও। কারণ, ঘূর্ণিঝড় অশনি।

    বেশ কয়েকদিন ধরেই জেলার বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি। বেশিরভাগ সময়ই আকাশ থাকছে মেঘলা। রাজ্যে বিভিন্ন জেলার মতোই অশনি ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়েছে গোটা নদিয়া জেলায়। সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত। মঙ্গলবার সকাল থেকেই মাঝারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে৷ বেলা বাড়ার সাথে সাথেই জেলাজুড়ে শুরু হয় ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত।গতকাল থেকে গোটা নদিয়া জেলা জুড়ে লাগাতার ঝোড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টিপাতের ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয় ধান চাষীদের। ক্রমাগত বৃষ্টি হওয়ার কারণে বেশিরভাগ ধান চাষের জমিতে জল জমে যায়, এর ফলে কৃষকরা ধান কাটতে সমস্যায় পড়েছেন৷

    আরও পড়ুন- ৩ দিন ধরে স্টেশনে পড়ে! অবশেষে অসুস্থ বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করালেন বিধায়ক

    জানা যায়, ধান পরিপূর্ণভাবে পাকার আগেই কেটে নিতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কৃষকেরা। লাগাতার বৃষ্টিপাতের জেরে বাধ্য হয়েই ধান কেটে ফেলেছেন তারা, ফলে ব্যাপক হারে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন ধান চাষীরা এমনটাই ইঙ্গিত দেন তারা।

    ঘূর্ণিঝড় অশনির খবর পেয়ে, অনেক কৃষকই আগেভাগে ফসল কেটে ঘরে তুলে ফেলছেন। তবে অনেক কৃষকেরই ধান তোলা হয়নি। ফলে জমিতেই তাদের ধান ভিজে যাচ্ছে। চাষীদের দাবি, এই বৃষ্টিপাত হওয়ার ফলে জমির ধানে ক্ষতি হতে পারে, এছাড়াও ঝড় হওয়ার ফলে ধান গাছ মাটিতে শুয়ে পড়েছে। শুকনো ধানের বদলে ভেজা ধান কেটে ঘরে তুলতে হচ্ছে চাষিদের। যার ফলে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানালেন কৃষকেরা।

    Mainak Debnath

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published:

    পরবর্তী খবর