রাহুল সিনহার ইনিংস শেষ? উত্তর দিলেন মুকুল রায়

রাহুল সিনহার ইনিংস শেষ? উত্তর দিলেন মুকুল রায়

পুরুলিয়ার দলীয় সভায় মুকুল রায়।

রবিবার পুরুলিয়া মফস্বল থানার হুটমুড়া কমিউনিটি হলে দলের কার্যকরী সভায় যোগ দিতে আসেন মুকুল রায়।

  • Share this:

#পুরুলিয়া: দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন রাহুল সিনহার। এতদিন ধরেকাজ করে আসা রাজনৈতিক নেতার একটা কথার উপর নির্ভর করে সিদ্ধান্ত নিলে আমরা ভুল করব। রাহুল সিনহার কেরিয়ারের ইতি? ঘুরতে থাকা প্রশ্নের উত্তরে এমনটাই বললেন মুকুল রায়। পাশাপাশি, দলবদলের রাজনীতি নিয়ে তৃণমূলকে সরাসরি সাবধান করে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি মুকুল রায়।

রবিবার পুরুলিয়া মফস্বল থানার হুটমুড়া কমিউনিটি হলে দলের কার্যকরী সভায় যোগ দিতে আসেন মুকুল রায়। সেখানে তিনি বলেন, "তৃণমূল বিজেপির কিছু পঞ্চায়েত স্তরের কর্মীদের দলে এনে বিজেপি ভাঙছে বলে প্রচার করছে। তৃণমূলের কতজন নেতা কর্মী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে ওঁরা জানে? আমরা এখন কিছু বলছি না এ নিয়ে।"

২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকেই পুরুলিয়াকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। রাজ্যে পুরুলিয়া থেকেই লড়াই শুরু হয়েছে। তার সুফলও পেয়েছে দল। লোকসভা নির্বাচনে পুরুলিয়া লোকসভা আসনে আড়াই লক্ষের বেশি ভোটে জয়লাভ করেছিল দল। কিন্তু তারপরই শুরু হয় ট্র্যাজেডি। বিজেপিতে ভাঙন শুরু হয় পুরুলিয়াতেই। দলবদলে একের পর এক পঞ্চায়েত বিজেপির হাতছাড়া হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতেও হাল ছাড়ছে না বিজেপি।

একদা তৃণমূল নেতা মুকুল রায় পুরুলিয়াকে হাতের তালুর মতো চেনেন। বহু তৃণমূল নেতার সঙ্গেও তার যোগাযোগ আছে বলে গুজব রয়েছে জেলায়। এদিন মুকুলের মন্তব্যে সেই জল্পনার পালে হাওয়া লাগল। মুকুল বলেন, "পুরুলিয়ার নয়টি বিধানসভা আসনের সবকয়টিতে জয়ী হব আমরা।"

এদিন পুরুলিয়া থেকেই মুকুল রাঁচি হয়ে দিল্লি চলে যান। যাওয়ার আগে তিনি বলেন, "রাহুল সিনহা আমাদের নেতা। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলায় লড়াই করছে বিজেপি।"

শনিবার মুকুল রায়কে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি হিসেবে বেছে নেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। পাশাপাশি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষিক্ত হন অনুপম হাজরাও। জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পেলেন দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা।রাজ্যে ইতিমধ্যেই ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। এর মধ্যেই মুকুলের এই শক্তিবৃদ্ধি মুকুল ব্রিগেডকে যে ভোটবাজারে চাঙ্গা করবে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

Published by:Arka Deb
First published: