উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি, রাজ্যে পালাবদলের পর ফের কেশপুরে সিপিএমে যোগ দিল শতাধিক পরিবার

উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি, রাজ্যে পালাবদলের পর ফের কেশপুরে সিপিএমে যোগ দিল শতাধিক পরিবার
নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে কেশপুর। বৃহস্পতিবার রাতে দুস্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় ও গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ বছরের এক বালক সহ দু'জনের।

নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে কেশপুর। বৃহস্পতিবার রাতে দুস্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় ও গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ বছরের এক বালক সহ দু'জনের।

  • Share this:

#কেশপুর: নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে কেশপুর। বৃহস্পতিবার রাতে দুস্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় ও গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ বছরের এক বালক সহ দু'জনের। আর তাই নিয়ে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এমন পরিস্থতির মধ্যেই সেখানে কয়েকশো পরিবার লাল পতাকা হাতে তুলে নিয়েছে বলে দাবি সিপিএমের। এ দিন জামসেদ ভবনে ২০০ শতাধিক অভিবাসী শ্রমিক কমরেড তাপস সিনহা'র হাত থেকে লাল ঝান্ডা তুলে নিলেন। উপস্থিত ছিলেন উত্তম মণ্ডল, সৌগত পন্ডা,নিয়ামত হোসেন, প্রমুখ।

একসময় সিপিএমের শক্ত ঘাটি কেশপুর রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলের দখলে। সম্প্রতি বিজেপিও সারা রাজ্যের মতো কেশপুরেও সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সেই এলাকায় নতুন করে মানুষের সিপিএমে যোগদান করায় উৎসাহিত আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস সিনহা বলেন, "তৃণমূল জন্মলগ্ন থেকেই কেশপুরকে অস্থির করে রেখেছে। বিজেপি বিভ্রান্ত করেছে। কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে বামপন্থীরা ছাড়া সিপিএম ছাড়া কেশপুরে কাউকে দেখা যায়নি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে, মিডিয়াতেও দেখা গিয়েছে, এলাকার তৃণমূল সাংসদ দেবের ভাইপোকেও ত্রান সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে সিপিএম নেতৃত্ব। সেই রকম পরিস্থিতিতে তৃণমূল বা বিজেপির প্রতি আস্থা হারিয়ে মানুষ নতুন করে লালঝাণ্ডাকে বেছে নিচ্ছে।" ইতিমধ্যেই দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ওই এলাকায় সিপিএমের বেশ কয়েকটি দলীয় কার্যালয় খোলা হয়েছে। বাকিগুলোও খোলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি

তৃণমুলের পাশাপাশি রাজ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি। এমন পরিস্থিতিতে কেশপুরে সিপিএমের এই সাফল্য কীভাবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সিপিএমের দাবি, কর্মসূত্রে কেশপুরের বহু মানুষ বাইরে থাকেন। লকডাউন পরিস্থিতিতে ভিনরাজ্যে আটকে পড়া সেইসব মানুষ সমস্যায় পড়েন। সেই সময় তাঁদের পাশে দাড়িয়েছিল সিপিএম। সেইসব মানুষের কাছে ত্রান পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের ফিরিয়ে আনার জন্যেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কেশপুরে তৈরি হয়েছিল 'কমিউনিটি কিচেন'। ফলে বর্তমানে সেইসব মানুষই লালঝাণ্ডা হাতে তুলে নিচ্ছেন। আর কেশপুরে সিপিএমের নতুন করে মাথাচাড়া দেওয়াটাকে রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।


UJJAL ROY

Published by:Shubhagata Dey
First published:

লেটেস্ট খবর