দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন ৫০০-র বেশি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন ৫০০-র বেশি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন

পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এখন 538 জন রয়েছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন 166 জন।

  • Share this:

বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন পাঁচশোর বেশি বাসিন্দা করোনা আক্রান্ত রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই ভর্তি রয়েছেন করোনা হাসপাতলে। এখনও প্রতিদিনই বহু বাসিন্দা করোনা পজিটিভ হচ্ছেন। তাদের বেশিরভাগেরই কোনও ট্রাভেল হিস্ট্রি নেই। এলাকায় থাকাকালীন অবস্থায় করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।তাই এখনও যথাসম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলছেন, বাইরে বের হলে মাস্কে মুখ ঢাকতে হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় এদিন পর্যন্ত 9 হাজার 257 জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে 8 হাজার 587 জন ইতিমধ্যেই চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বর্তমানে 530 জন অ্যাক্টিভ রোগী রয়েছেন। তাদের বর্ধমান শহর লাগোয়া বামচাঁদাইপুরের করোনা হাসপাতাল, কৃষি খামারের করোনা হাসপাতাল, সেফ হোম ও হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এদিন পর্যন্ত এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে 140 জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত 95 জনের মধ্যে 27 জনের শরীরে করোনার উপসর্গ পাওয়া গেছে। বাকি 68 জন উপসর্গহীন ছিলেন।

পূর্ব বর্ধমান জেলায় বিভিন্ন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এখন 538 জন রয়েছেন। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন 166 জন। ব্যাপকভাবে করোনা আক্রান্ত পাঁচ রাজ্য মহারাষ্ট্র,দিল্লি,গুজরাট, তামিলনাড়ু ও মধ্য প্রদেশ থেকে আসাা কোয়ারেন্টাইনে থাকা বাসিন্দার সংখ্যা 733 জন। এছাড়াও অন্যান্য রাজ্য থেকে এসে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন 27 জন। এদিন পর্যন্ত এই জেলায় এক লক্ষ 27 হাজার 595 জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তার মধ্যে এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার 587 টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন এই জেলায় 322টি কনটেইনমেন্ট জোন রয়েছে।

তবে সংক্রমণ অব্যাহত থাকলেও নিউ নরমাল এই পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে জেলার জনজীবন। গ্রামীণ এলাকায় অনেকের মুখেই মাস্ক বা ফেস কভার দেখা যাচ্ছে না। তা দেখে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা।তাঁরা বলছেন,বর্ধমান উত্তর-দক্ষিণ বা কালনা, কাটোয়া মহকুমার অনেক এলাকাতেই সংক্রমণ অব্যাহত। সচেতনতার অভাবে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে। তাই বাসিন্দাদের সচেতন করার কাজ চালিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।

Published by: Dolon Chattopadhyay
First published: November 21, 2020, 12:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर