• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • কন্টেইনমেন্ট জোন মঙ্গলকোটের নতুনহাট, ত্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা

কন্টেইনমেন্ট জোন মঙ্গলকোটের নতুনহাট, ত্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা

এতোদিন লকডাউনের পর নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।

এতোদিন লকডাউনের পর নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।

এতোদিন লকডাউনের পর নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।

  • Share this:

#বর্ধমান: চেন্নাই ফেরত পরিযায়ী শ্রমিকের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক দেখা দিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট জুড়ে। এতদিন লকডাউনের পর নতুন করে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ায় উদ্বিগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। মঙ্গলকোটের নতুনহাট এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নতুনহাটকে বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। বাসিন্দারা বলছেন, এতদিন লকডাউনের পর ভেবেছিলাম পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। কিন্তু এখন শয়ে শয়ে ভিন রাজ্য থেকে বাসিন্দারা আসছে। তাদের অনেকের মধ্যেই করোনার সংক্রমণ মিলবে বলে আশংকা করা হচ্ছে। তাদের থেকে অনেকের দেহেই সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

মঙ্গলকোটের নতুন হাটের ওই যুবক চেন্নাইয়ে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। লকডাউনে কাজ হারিয়ে গৃহবন্দি হয়ে পড়েন। ১৫মে শ্রমিক স্পেশ্যাল ট্রেনে পুরুলিয়া ফেরেন তিনি। সেখান থেকে বাসে অন্যান্যদের সঙ্গে বর্ধমানে ফেরেন। বর্ধমানে তাঁকে কৃষি খামারে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর বাসে অন্যান্যদের সঙ্গে তাকে বাড়ি পাঠানো হয়। গত কাল তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। রাতেই তাকে দুর্গাপুরের কোভিড থ্রি সনকা হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরিবারের সদস্যদের কোয়ারেন্টাইন  সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার সংস্পর্শে আসা বাকিদেরও কোয়ারেন্টাইন  সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

চেন্নাই থেকে আসা ওই শ্রমিককে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল বলে জানান মঙ্গলকোটের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক। তিনি জানান, গত কাল রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ নতুনহাটের এই শ্রমিকের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর আসে। করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে যে ১৮ জন এসেছে তাদের সকলকে বর্ধমানের প্রি কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত শ্রমিককে দুর্গাপুরের কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নতুনহাট গ্রামকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করে মানুষের আসা যাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। গ্রামের প্রবেশপথ গুলিতে বাঁশের ব্যারিকেড করে পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Saradindu Ghosh

Published by:Ananya Chakraborty
First published: