• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • মাছ নয়, বর্ধমানে নোট খুঁজতে পুকুরে জাল ফেলল পুলিশ !

মাছ নয়, বর্ধমানে নোট খুঁজতে পুকুরে জাল ফেলল পুলিশ !

পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের বড়মশাগড়িয়া গ্রামের পুকুরে নোট ভেসে বেড়ানোর খবর এখনও মুখে মুখে ফিরছে

পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের বড়মশাগড়িয়া গ্রামের পুকুরে নোট ভেসে বেড়ানোর খবর এখনও মুখে মুখে ফিরছে

পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের বড়মশাগড়িয়া গ্রামের পুকুরে নোট ভেসে বেড়ানোর খবর এখনও মুখে মুখে ফিরছে

  • Share this:

#বর্ধমান: জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, '' জাল ফেলে আর কী হবে? কাগজের নোট তো আর জলের তলায় থাকবে না, জলে ভেসে থাকবে। তাই জাল ফেলার কথা ভাবা হচ্ছে না।'' কিন্তু স্থানীয়  বাসিন্দাদের কাছ থেকে যখন খবর মেলে, জলের তলা থেকে নোটের বান্ডিল ও সোনা দানা উঠছে, তখনই পুকিরে জাল ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় পুলিশ-প্রশাসন! পেশাদার জেলেদের নামানো হয় পুকুরে। কিন্তু জালে  দু একটা মাছ উধরা পড়লেও টাকা বা সোনা দানা কিছুই ওঠেনি। জালে সিন্দুক, গুপ্তধন বা নিদেনপক্ষে পাঁচশো বা দু হাজার টাকার নোটের বান্ডিল উঠবেই... এমনটাই আশা করেছিলেন উৎসাহীদের অনেকেই। জালে তেমন কিছু না ওঠার খবরে নিরাশ হন তাঁরা।

পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কুচুট পঞ্চায়েতের বড়মশাগড়িয়া গ্রামের পুকুরে নোট ভেসে বেড়ানোর খবর এখনও মুখে মুখে ফিরছে। শনিবারও অনেকে ওই পুকুর দেখতে যান। তবে আপাতত জলাশয়ে আর কাউকেই নামতে দেওয়া হচ্ছে না। সেখানে সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এক কর্তা জানান, নোটের খোঁজে অনেকেই জলে নেমে পড়ছেন। তা থেকে বিপদ হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সে জন্য কাউকেই পুকুরে নামতে দেওয়া হচ্ছে না।

বুধবার থেকেই ওই জলাশয়ে নোট ভাসছিল। তবে প্রথম প্রথম দু-একটি নোট মিলেছিল। বৃহস্পতিবারও কয়েকটি নোট পাওয়া যায়। কিন্তু শুক্রবার দুপুরের পর একসঙ্গে অনেক নোট জলে ভেসে ওঠে। পাঁচশো টাকা থেকে শুরু করে দু হাজার টাকার নোট, একশো, পঞ্চাশ বা দশ টাকা...সব অঙ্কের  নোটই ছিল। সেই টাকা পেতেই জলে নামার হিড়িক পড়ে যায় বাসিন্দাদের মধ্যে। অনেকে ডুব দিয়ে তলা পর্যন্ত খুঁজে দেখেন। কেউ কেউ সোনার অলঙ্কার এবং নোটের বান্ডিল পেয়েছেন বলেও দাবি স্থানীয়দের। মেমারি থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুকুর থেকে তোলা নোট যথাসম্ভব উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেগুলি জলাশয় কীভাবে গেল ? তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

SARADINDU GHOSH

Published by:Rukmini Mazumder
First published: