ফের হাসপাতাল থেকে রোগী নিখোঁজ ! প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে !

ফের হাসপাতাল থেকে রোগী নিখোঁজ ! প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে !

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দু দুবার ! বারে বারে ওয়ার্ড থেকে রোগী উধাও হওয়ায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

  • Share this:

#বর্ধমান: ফের রোগী বেপাত্তা! এক সপ্তাহের ব্যবধানে দু দুবার! আবারও রোগী নিখোঁজ বর্ধমান মেডিকেলে। গত সপ্তাহেই মেমারির এক রোগী বেড থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল। তার জেরে সরগরম হয়ে ওঠে হাসপাতাল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার রোগী নিখোঁজের ঘটনায় বিপাকে দক্ষিণবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বারে বারে ওয়ার্ড থেকে রোগী উধাও হওয়ায় হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এতো সি সি টিভি ক্যামেরা, এতো নিরাপত্তা রক্ষী থাকা সত্ত্বেও হাতে স্যালাইনের  চ্যানেল লাগানো এক অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে উধাও হয়ে গেল সে প্রশ্ন তুলছেন রোগীদের আত্মীয়রা। গত শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের মেমারির পাল্লারোডে এক অসুস্থ ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। তখন ওই ব্যক্তি  নাম জানিয়েছিলেন বিমল কুণ্ডু। কিন্তু তার বেশি তথ্য তিনি জানাতে পারেননি। পাল্লারোডের পল্লীমঙ্গল সমিতির সদস্যরা ওই ব্যক্তিকে প্রথমে বড়শুল হাসপাতাল ও তারপর বর্ধমান মেডিক্যালের রাধারানি ওয়ার্ডে ভর্তি করায়।

শনিবার সেই ওয়ার্ডে গিয়ে আর সেই রোগীকে দেখতে পাননি পল্লীমঙ্গল সমিতির সদস্যরা। সমিতির সম্পাদক সন্দীপন সরকার বলেন,  "হাসপাতালের কর্মীদের কাছে জানতে চাইলেও তাঁরাও কিছু জানাতে পারেননি। আমরা গোটা হাসপাতালে খোঁজাখুঁজ়ি শুরু করি। কিন্তু হাসপাতালে তাঁকে খুঁজে পাইনি।  মঙ্গলবার ফের  হাসপাতালে যাই। কিন্তু  হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও সদুত্তর না পেয়ে  জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।"

বারে বারে একই ঘটনা ঘটায় অবাক হাসপাতালের উপস্থিত রোগীর আত্মীয় পরিজনরা। তাঁরা বলছেন, যে রোগীর হাঁটার ক্ষমতা নেই তিনি নিরুদ্দেশ হলেন কি করে! ওয়ার্ডের বাইরে কলাপসিবল গেট আটকে বসে থাকেন নিরাপত্তা রক্ষীরা। বার বার তাদের নজর এড়িয়ে রোগী বেরিয়ে যাচ্ছে কি করে! হাসপাতালের সি সি টিভি ফুটেজ দেখে সেসব রোগীদের আটকানোর কোনও ব্যবস্থাই বা করা হচ্ছে না কেন!

 এক সপ্তাহ আগে এই রাধারানি ওয়ার্ড থেকেই এক রোগী নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। পরীক্ষা করানোর জন্য  স্ট্রেচার আনতে গিয়েছিলেন তিনি। ফিরে এসে আর বাবাকে বেডে দেখতে পাননি। বিষয়টি জানাতে গিয়ে তাঁকে অপমানিত হতে হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে জোর জলঘোলা শুরু হলে খোসবাগান এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠায় বর্ধমান থানার পুলিশ। বাসিন্দারা বলছেন, এক সপ্তাহ আগের ঘটনা থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে কোনও শিক্ষা নেয়নি এই ঘটনাই তার প্রমাণ। ওই রোগী কোথায় গেলেন তা খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের এক আধিকারিক।

SARADINDU GHOSH 

First published: March 3, 2020, 8:47 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर