দক্ষিণবঙ্গ

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে রেস্তোরাঁয় মদ দিতে আপত্তি মালিকের, রাগে বোমা মেরে রেস্তোরাঁ উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা তিন যুবকের!

লকডাউনে রেস্তোরাঁয় মদ দিতে আপত্তি মালিকের, রাগে বোমা মেরে রেস্তোরাঁ উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা তিন যুবকের!
CCTV Footage

বোমা মারার সেই ছবি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়।

  • Share this:

#বর্ধমান: করোনা আবহে লকডাউনের সময় থেকেই রেস্তোরাঁয় বসে মদ্যপান বন্ধ। কিন্তু নাছোড়বান্দা তিন যুবক। তা নিয়ে রেস্তোরাঁর মালিকের সঙ্গে বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল। তখনকার মতো বিষয়টি মিটলেও ফের যুবকরা রাতে ফিরল অন্য মেজাজে। বোমা মেরে রেস্তোরাঁ উড়িয়ে দেওয়ার যেন পণ করেছিল তারা। চারচাকা গাড়িতে এসে একের পর এক বোমা ছুঁড়ে এলাকা ছাড়ল তারা। বোমা মারার সেই ছবি ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার মাহাতা গ্রামে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ভাতার,থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বোমার অংশ, না ফাটা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

করোনার সংক্রমণের ভয়ে তটস্থ সকলেই। তার মাঝেই রাতের অন্ধকারে নিস্তব্ধতাকে খান খান করে চলল বিকট শব্দে বোমাবাজি। বার কাম রেস্তোরাঁকে লক্ষ্য করে  বোমাবাজি করল দুষ্কৃতীরা। সেই ছবি বন্দি হল সিসিটিভির ক্যামেরায়। সকালে রেস্তোরাঁর ছাদে একাধিক বোমা পাওয়া গিয়েছে। তবে ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

CCTV Footage CCTV Footage

সোমবার  সন্ধ্যায় তিন যুবক ওই রেস্তোরাঁয় এসেছিল। তারা সেখানে মদ্যপান করতে চায়। কিন্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে সেখানে বসে মদ্যপান করা যাবে না বলে তাদের জানান রেস্তোরাঁর মালিক। এতেই রুষ্ট হয় আগন্তুক তিনজন। তারা রেস্তরাঁর মালিকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। বচসার জেরে ওই তিন যুবক রেস্তোরাঁর মালিককে মারধরও করে বলে অভিযোগ। তাঁকে প্রাণে মেরে দেওয়ার  হুমকিও দিয়ে যায় তারা। স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় সেই সময় তারা এলাকা ছাড়লেও ঘন্টাখানেক পরই তাদের আগমন ঘটে। একটি চারচাকা গাড়িতে আসে তারা। গাড়ি থেকে নেমে রেস্তোরাঁ লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে শুরু করে তারা। বোমা শেষ হলে গাড়িতে চড়ে এলাকা ছাড়ে তারা।

দোকানের মালিক বৃন্দাবন ঘোষ বলেন, সোমবার রাত সাড়ে আটটার সময় তিন যুবক আমার দোকানে মদ কিনতে আসে। করোনা পরিস্থিতির জন্য অনেক দিন আগে থেকেই দোকানে বসে মদ খাওয়ার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ওই তিন জন এখানে বসে মদ খাওয়ার ইচ্ছের কথা জানায়। আমি বাধা দিলে ওরা আমাকে গালিগালাজ এমনকি মারধরও করে। এরপর ওরা চলে যায়। ঘণ্টাখানেক পর পুনরায় এসে আমার দোকান লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে থাকে। আমি প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। আমি চাই প্রশাসন তাদের  চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দিক।

Saradindu Ghosh

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: July 21, 2020, 6:21 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर