Home /News /south-bengal /
অজ্ঞান অবস্থায় জোর করে শাঁখা-সিঁদুর পরিয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে বিয়ে সারলেন ৪০ -র বর!

অজ্ঞান অবস্থায় জোর করে শাঁখা-সিঁদুর পরিয়ে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর সঙ্গে বিয়ে সারলেন ৪০ -র বর!

অভিযোগ, এই নাবালিকা বোনকে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে বিয়েতে নারাজ নাবালিকাকে প্রচন্ড মারধর করা হয়।তারপর জ্ঞান হারালে ছাদনা তলায় এনে চার হাত এক করা হয়।

  • Share this:

 #হাবরা: হাবরার মচ্ছলন্দপুরে বড় দিদির কাছে গতকয়েক বছর ধরে রয়েছে অর্পিতা(নাম পরিবর্তিত)। বাবা মা মারা যাওয়ার পর থেকেই বড় দিদির সংসারে সেও এক সদস্যা।স্থানীয় স্কুলের পড়ুয়া সে। সপ্তম শ্রেনীর এই পড়ুয়াকে তার মেজ দিদি নিজের বাড়িতে নিয়ে আসে। তার মেজ দিদির বাড়ি গাইঘাটা থানার শিমূলপুর ষষ্ঠী তলায়। ওই ছাত্রীর মেজ দিদি তৃপ্তি মজুমদার এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, এই নাবালিকা বোনকে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন।

এই অভিযোগ তুলছেন তৃপ্তি মজুমদারের বড় দিদি সুদেবী মন্ডল। গত বৃহস্পতিবার গাইঘাটা থানায় মেজ বোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও দায়ের করেছেন তিনি।গাইঘাটার বিডিও উত্তম বিক্রম মোহন হিরানী এদিন জানান, বৃহস্পতিবার তারা নাবালিকা ছাত্রীর বড় দিদির কাছ থেকে প্রথম অভিযোগ পান তারা।তারপর বিডিও অফিস ও গাইঘাটা থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালায় এই থানার মহিষকাঠি গ্রামে।এই গ্রামের বাসিন্দা বছর চল্লিশের গৌতম বারুইয়ের সঙ্গে ওই নাবালিকার বিয়ে দিয়েছিল তার মেজ দিদি। বিয়ে হয়েছিল বুধবার সন্ধ্যায়।

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে বিয়েতে নারাজ নাবালিকাকে প্রচন্ড মারধর করা হয়।তারপর জ্ঞান হারালে ছাদনা তলায় এনে চার হাত এক করা হয়।প্রথামত শাঁখা ও সিঁদুর পরিয়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ যায় গৌতম বারুই এর বাড়িতে। সেখানে নব নাবালিকা বধুকে উদ্ধার করে তারা।শাঁখা ও সিঁদুর পড়া নাবালিকাকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

তবে নাবালিকার চল্লিশের স্বামী পুলিশ আসছে শুনে মাঠ দিয়ে পালায়।একই সঙ্গে নাবালিকার মেজ বোন পরিবার সহ এলাক ছেড়ে পালিয়েছে।পুলিশ চাইল্ড ম্যারেজ প্রিভেন্টিভ অ্যাক্ট ও ইমমরাল ট্রাফিক অ্যাক্টে নাবালিকার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। নাবালিকাকে তার বড় দিদির হাতে  তুলেও দেওয়া হয়। বড় দিদি এই দিন বলেন, মেজ বোন দু’দিনের জন্য নিজের বাড়িতে ছোট বোনকে তার কাছ থেকে নিয়ে আসে। তারপর বোনের এই সর্বনাশ করে। তার দাবী, ছোট বোনকে তিনি খাওয়া পড়া কোন অসুবিধাই রাখেনি।বয়স হলে তিনি বোনের বিয়ের ব্যবস্থা করতেন।তারপর মেজ বোন কোন কথা না বলে চোদ্দ বছরের বাচ্চা মেয়েটাকে কোন সাহসে বিয়ে দিলও। তাই তিনি মেজ বোনে শাস্তির জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন্। এদিন পুলিশ পরবর্তী আইনের প্রক্রিয়ার জন্য উদ্ধার হওয়া নাবালিকাকে বনগাঁ আদালতে নিয়ে আসে ।

RAJARSHI ROY

Published by:Elina Datta
First published:

Tags: 40 years old man, Marriage of Minor, Minor Girl Marriage, Wedding

পরবর্তী খবর