corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনেও মিষ্টির দোকান খুলছে, খুশি বর্ধমানের গোপালকরা

লকডাউনেও মিষ্টির দোকান খুলছে, খুশি বর্ধমানের গোপালকরা
মিষ্টি

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকে প্রচুর দুধ উৎপন্ন হয়। শুধু এই ব্লকেই কয়েক হাজার পরিবার গো পালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এখানে দুধ থেকে তৈরি ছানা কাটোয়া, কৈচর, নিগন, ভাতারের বিভিন্ন দোকানে যায়।

  • Share this:

লক ডাউনের সময় মুখ্যমন্ত্রী মিষ্টির দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় খুশি পূর্ব বর্ধমানের গোপালকরা। এর ফলে দুধ বিক্রির সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে মনে করছেন তাঁরা। গো পালন করে দুধ বিক্রি করে এই জেলায় কয়েক হাজার পরিবার জীবিকা নির্বাহ করেন। লক ডাউনের জেরে চরম সমস্যায় পড়েছিলেন তাঁরা। প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার দুধ নষ্ট হচ্ছিল। হাতে অর্থ না থাকায় চাল ডাল সহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারছিলেন না তাঁরা। মিষ্টির দোকান খোলায় সেই সমস্যা কিছুটা মিটবে বলেই মনে করছেন তাঁরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকে প্রচুর দুধ উৎপন্ন হয়। শুধু এই ব্লকেই কয়েক হাজার পরিবার গো পালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এখানে দুধ থেকে তৈরি ছানা কাটোয়া, কৈচর, নিগন, ভাতারের বিভিন্ন দোকানে যায়। বর্ধমান এক ব্লকেও অনেক গোপালক রয়েছেন। মেমারি ও তার আশপাশ এলাকাতেও প্রচুর ছানা উৎপাদন হয়। সেই ছানা নিয়মিত ট্রেনে কলকাতায় রফতানি হয়। রায়না, জামালপুরেও বহু পরিবার দুধ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কথা চিন্তা করে মিষ্টির দোকান খুলতে বলায় খুশি এই গো পালকরা।

তাঁরা বলছেন, এক একটি গরু দিনে দু বারে তিরিশ কেজি পর্যন্ত দুধ দেয়। মিষ্টির দোকান বন্ধ। বন্ধ বাস ট্রেন ও অন্যান্য যান চলাচলও। ফলে সেই দুধ এক রকম ফেলে দিতে হচ্ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকে ছানা তৈরি শুরু হওয়ায় দুধের চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। দুধ বিক্রেতারা বলেছেন, এখন একটি গাভির দাম অনেক। অনেকেই ব্যাঙ্ক  থেকে ঋণ নিয়ে গরু কিনেছেন। দুধ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কি করে ঋন মেটাবেন তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না অনেকেই। তার ওপর রয়েছে গোখাদ্য ও অন্যান্য খরচ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের কথা চিন্তা করে মিষ্টির দোকান খুলতে বলায় আপাতত স্বস্তিতে গো পালকরা।

SARADINDU GHOSH

Published by: Arindam Gupta
First published: March 31, 2020, 4:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर