• Home
  • »
  • News
  • »
  • south-bengal
  • »
  • চাহিদা কম, দেড়শ টাকার ছানা পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন গো-পালকরা !

চাহিদা কম, দেড়শ টাকার ছানা পঞ্চাশ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন গো-পালকরা !

দেড়শ টাকার ছানা বিক্রি হচ্ছে পঞ্চাশ টাকায়। তাও কেনার খদ্দের নেই। লক ডাউনের জেরে বন্ধ বিভিন্ন ছানার হাট।

দেড়শ টাকার ছানা বিক্রি হচ্ছে পঞ্চাশ টাকায়। তাও কেনার খদ্দের নেই। লক ডাউনের জেরে বন্ধ বিভিন্ন ছানার হাট।

দেড়শ টাকার ছানা বিক্রি হচ্ছে পঞ্চাশ টাকায়। তাও কেনার খদ্দের নেই। লক ডাউনের জেরে বন্ধ বিভিন্ন ছানার হাট।

  • Share this:

#বর্ধমান: দেড়শ টাকার ছানা বিক্রি হচ্ছে পঞ্চাশ টাকায়। তাও কেনার খদ্দের নেই। লক ডাউনের জেরে বন্ধ বিভিন্ন ছানার হাট। মিষ্টির দোকানেও চাহিদা কম। তাই বাধ্য হয়েই পাড়ায় পাড়ায়, রাস্তার মোড়ে কম দামে ছানা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার ছানা ব্যবসায়ীরা। ছানা বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁরা। লক ডাউন না ওঠা পর্যন্ত এই অবস্থাই চলবে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী মিষ্টির দোকান খোলা রাখার সময় সীমা বাড়িয়েছেন। তাতেও ছানার চাহিদা খুব একটা বাড়বে বলে মনে করছেন না তাঁরা। ছানা বিক্রেতারা বলছেন, মিষ্টির ক্রেতা কোথায়! মানুষের কাজ নেই। উপার্জন নেই। চাল ডাল কেনার অর্থ নেই। মিষ্টি কিনবে কজন। তার ওপর যান চলাচল বন্ধ। স্থানীয়দের ভরসায় মিষ্টিও তৈরি হচ্ছে কম কম।

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট, ভাতার, মন্তেশ্বর, মেমারি, জামালপুরে প্রচুর ছানা উৎপন্ন হয়। এই এলাকাগুলিতে বেশ কয়েক হাজার পরিবার ছানা বিক্রির ওপর নির্ভরশীল। অনেকেই মোটা টাকা ঋন নিয়ে গোপালন করেছেন। সেই সব গোরু মোষের দুধ থেকে ছানা তৈরি করে বাজারে বিক্রি করেন তাঁরা। ছানা বিক্রেতারা বলছেন, একে তো ছানার দাম নেই। তার ওপর গো খাদ্য কেনার  খরচ সামাল দিতে গিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে। সারা বছর গড়ে দেড়শো টাকা কেজিতে ছানা বিক্রি হয়। তবে বিয়ের মরশুমে বা পুজো পার্বনে মিষ্টির চাহিদা বাড়লে আড়াই শো টাকা পর্যন্ত কেজিতে দাম মেলে। সেই ছানাই এখন জলের দরে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

মেমারির বামুনপাড়া মোড়ে ছানার পাইকারি বাজার রয়েছে। বর্ধমান, মেমারি, কলকাতায় বছরভর ছানার চাহিদা থাকে। এখান থেকে ছানা যায় দুর্গাপুরেও। কিন্তু লক ডাউনের জেরে যান চলাচল বন্ধ। ছানা পাঠানো যাচ্ছে না। আবার খদ্দেরের অভাবে মিষ্টির দোকানে ছানার  চাহিদাও কম। যোগান বেশি হওয়ায় দাম মিলছে না। বাসিন্দারা প্রথম প্রথম কম দামে ছানা পেয়ে বেশি পরিমাণে কিনছিলেন। ছানার তরকারি, মিষ্টি তৈরি হচ্ছিল ঘরে ঘরে। অনেকে আর নিয়মিত ছানা কিনছেন না। ফলে কম দামে ছানা বিক্রি করতেও বেগ পেতে হচ্ছে বিক্রেতাদের। তাঁদের আশঙ্কা, লকডাউন উঠে গেলেও দাম খুব একটা বাড়বে না। কারণ, অর্থনৈতিক অবস্থা বেহাল। কাজ হারিয়েছেন অনেকেই। দৈনন্দিন সামগ্রী কেনার পর মিষ্টি কেনার আগ্রহ হারাবেন অনেকেই। তাই মিষ্টির দোকান খুললেও আগের তুলনায় চাহিদা কমবে। তাই আগের মতো দামও মিলবে না ছানার। সেই পরিস্থিতি তৈরি হলে গোরু মোষ বিক্রি করে দেওয়া ছাড়া বিকল্প পথ থাকবে না বলেই আশঙ্কা অনেকের।

SARADINDU GHOSH

Published by:Piya Banerjee
First published: