দেরিতে হলেও ঝাড়গ্রামে দেখা মিলল শামুকখোলের, তেঁতুল গাছই এখন ওদের সংসার

photo: shamukkhol

ডিম ফুটে বাচ্চা হবার পর, বাচ্চাগুলি পুরোপুরি উড়তে শিখলে, তবেই ফের নিজেদের দেশে ফিরে যায় শামুকখোলরা।

  • Share this:

    #ঝাড়গ্রাম: বর্ষার শুরুতেই ভিড় জমায় ওরা। কিন্তু এবছর বর্ষা দেরিতে আসায় ওরাও এসেছে দেরিতে। ঝাড়গ্রামের কেন্দুয়া এলাকার তেঁতুল গাছেই এখন সংসার পরিযায়ী শামুকখোলদের।

    বিশ্বউষ্ণায়নের প্রভাব পড়ছে ঋতুচক্রে। যার ফলে বর্ষাও এসেছে দেরিতে। প্রভাব পড়েছে পরিযায়ী পাখিদের ওপর। আগে বর্ষার মরশুমে ঝাড়গ্রামের কেন্দুয়া এলাকায় ভিড় জমাত শামুকখোলরা। বছর বছর সেই সংখ্যাটা কমছে। তবুও দেরিতে হলেও এবারও তেতুল গাছে বাসা বেঁধেছে পরিযায়ী শামুকখোল। এখানে প্রায় তিন মাস থাকে শামুকখোল পাখিরা। ডিম ফুটে বাচ্চা হবার পর, বাচ্চাগুলি পুরোপুরি উড়তে শিখলে, তবেই ফের নিজেদের দেশে ফিরে যায় শামুকখোলরা। শামুকখোলদের প্রিয় খাবার চুনো মাছ, শামুক, গুগলি। ধীরে ধীরে কমছে পুকুর, খাল, বিলের সংখ্যা, ফলে খাদ্যের অভাব হচ্ছে এই পরিযায়ী পাখিদের। যার কারণেও ফি বছর কেন্দুয়ায় কমছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা। পরিযায়ী পাখির আনাগোনায় ভিড় জমাতেন পর্যটকরাও। কিন্তু পাখির সংখ্যা কমায়, কমেছে পর্যটকের সংখ্যাও। মার খাচ্ছে হোটেলগুলি। পরিযায়ী পাখিদের বাঁচানোর জন্য বন দফতরের  আরও উদ্যোগী হওয়া প্রযোজন। বলছেন স্থানীয়রা।
    First published: