দক্ষিণবঙ্গ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

রেললাইনের পথ ধরে ৩৫ কিলোমিটার পথ হেঁটেও বাড়ি ফেরা হলো না ওদের!

রেললাইনের পথ ধরে ৩৫ কিলোমিটার পথ হেঁটেও বাড়ি ফেরা হলো না ওদের!

রাস্তায় হাঁটলে পুলিশ ধরবে, সেকারণে রেলপথ ধরে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন শ্রমিকরা...

  • Share this:

#দিঘা: দিঘা থেকে পায়ে হেঁটেই নিজেদের গন্তব্য বীরভূমের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন ওরা। সড়ক পথ ছেড়ে দিঘা থেকে রেলপথের লাইন ধরেই হাঁটছিলেন সকলেই। কিন্তু দিঘা থেকে ৩৫ কিলোমিটার পথ হাঁটার পরই কাঁথি স্টেশনে এসে আটকে গেলেন ৯  নির্মাণ পরিযায়ী শ্রমিক। আটকে দিয়েছে পুলিশ। ৯ জনকেই আবার দিঘায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বীরভূমের বাসিন্দা ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিক এদিন রেলপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে নিরাপদে রওনা দিয়েছিলেন। বীরভূমে নিজেদের বাড়িতে যাওয়ার লক্ষ্যেই রেললাইনের কঠিন পথ ধরে ফিরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু রেলপথ কেন? সড়ক রাস্তা দিয়ে হেঁটে গেলে পুলিশ আটকাচ্ছে।কোথাও কোথাও গ্রামবাসীরাও আটকাচ্ছে, জায়গায় জায়গায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে পুলিশ জনসাধারণ সকলেই।  তাই রেলপথকেই  নিরাপদ ভেবে গরিব পরিবারের এই দরিদ্র মানুষজন হাঁটছিলেন। হাঁটছিলেন সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখেই। ভেবেছিলেন এভাবেই বাড়ি ফেরা যাবে। ভেবেছিলেন দুরত্বও অনেকটা  কম হবে। সেই ভেবেই হাঁটা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ৩৫ কিলোমিটার পথ হাঁটার পরই আটকে পড়েন তাঁরা।  দিঘা থেকে ৩৫ কিমি আসার পর বাধা হয়ে দাঁড়ায় কাঁথির স্টেশন পুলিশ। তাদের আটকে দেওয়ার পর কাঁথি থানার মাধ্যমে ফের দিঘায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

দুর্ভোগে পড়া শ্রমিকরা পুলিশকে জানিয়েছে, পকেটের টাকা ফুরিয়ে এসেছে। খাওয়া থাকারও সমস্যা হচ্ছে। দিঘার ঠিকাদার তাদের পাওনা টাকা মিটিয়ে দায় সেরেছে বলেও অভিযোগ করেছে। দীর্ঘদিন লকডাউনে থাকতে থাকতে টাকা শেষ হওয়ার আগেই  হাঁটা শুরু করেছিলেন বলে জানান এইসব শ্রমিকরা। প্রায় ২৫০ কিমি হেঁটে বীরভূমের নিজের বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন তারা। পরিবারের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা মা বাবাকে দেখতে না পেয়ে অধীর উৎকন্ঠায় প্রহর গুনছে। তাদের মিলছে না খাদ্য। কারোর বৃদ্ধ বাবা মা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই বাড়ি ফিরছিল ৯ জন শ্রমিক। এদের মধ্যে মহিলা শ্রমিকও  একজন রয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই জেলার প্রশাসন যোগাযোগ করে এই সব শ্রমিকদের ফেরানো হবে।

Published by: Pooja Basu
First published: May 7, 2020, 12:51 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर