সাংঘাতিক! ধারাল অস্ত্রে নিজের গলার নলি কেটে, ক্ষতে আঙুল দিয়ে তা চওড়া করল যুবক

সাংঘাতিক! ধারাল অস্ত্রে নিজের গলার নলি কেটে, ক্ষতে আঙুল দিয়ে তা চওড়া করল যুবক
প্রতীকী চিত্র ৷
  • Share this:

Saradindu Ghosh

#কুসুমগ্রাম: সাংঘাতিক! ধারাল অস্ত্র দিয়ে নিজের গলার নলি কেটে ফেলল যুবক। শুধু তাই নয়, কাটার পর হাত ঢুকিয়ে ক্ষত আরও বাড়িয়ে ফেলল সে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্সকরা তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। মৃত যুবকের নাম অরবিন্দ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার কুসুমগ্রামের কামড়া গ্রামের পূর্বপাড়ায়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কেন এভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল ওই যুবক? তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী পুলিশ অফিসাররা ৷ এমনিতে সব কিছুই ছিল স্বাভাবিক। শুক্রবার বিকেলে পাড়ায় পরিচিতদের সঙ্গে গল্প করছিলেন অরবিন্দ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গল্পের ফাঁকে বাড়ি যান অরবিন্দ। বাড়িতে ঢুকে অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করেন। এক্ষুনি সব শেষ করে দেব- বলতে বলতেই বাড়িতে থাকা ধারাল অস্ত্র দিয়ে নিজেই নিজের গলায় কোপ মারতে থাকেন। তা দেখে তাঁর মা শঙ্করী ঘোষ ছেলেকে বাধা দিতে যান। অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। তাতে তিনিও অল্পবিস্তর আহত হন। ততক্ষনে কেটে ফেলা গলার নলিতে হাত ভরে ক্ষত আরও চওড়া করে ফেলেছেন ওই যুবক। গোলমাল শুনে ছুটে আসেন প্রতিবেশিরা। তাঁরাই উদ্যোগী হয়ে ধরাধরি করে গাড়িতে চাপিয়ে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত যুবককে মন্তেশ্বর হাসপাতালে নিয়ে যান। পথেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের চিকিত্সকরা। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ।

1103_5dfddb4914134_MANTESWAR DEATH 02

স্থানীয় বাসিন্দা ও আত্মীয় পরিজনরা জানান, কয়েক মাস ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিল ওই যুবক। চিকিত্সার জন্য কথাবার্তাও চলছিল। বাড়িতে তিনি মায়ের সঙ্গেই থাকতেন। চাষবাসের কাজও করতেন। এমনিতে স্বাভাবিক থাকলেও মাঝেমধ্যেই অসংলগ্ন আচরণও করতেন তিনি। মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত দীর্ঘকালীন মানসিক অবসাদ থেকে আত্মহননের প্রবণতা দেখা যায়। অনেকেই কীটনাশক খেয়ে বা গলায় ফাঁস লাগানো-সহ নানা উপায়ে আত্মহত্যা করেন। এক্ষেত্রে ওই যুবক আত্মহত্যা করে থাকলে মস্তিষ্কের চরম অস্বাভাবিকত্ব থেকেই ওই কাজ করে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন তাঁরা।

First published: December 21, 2019, 5:58 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर