তারাপীঠের উন্নয়ন নিয়ে বিশেষ বৈঠক বীরভূম জেলা পরিষদের

তারাপীঠ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা-সহ একাধিক জরুরি বিষয় নিয়ে বৈঠক করল বীরভূম জেলা পরিষদ

তারাপীঠ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা-সহ একাধিক জরুরি বিষয় নিয়ে বৈঠক করল বীরভূম জেলা পরিষদ

  • Share this:

#বীরভূম: তারাপীঠ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা-সহ একাধিক জরুরি বিষয় নিয়ে  বৈঠক করল বীরভূম জেলা পরিষদ। বীরভূমে জেলা পরিষদের সভাধিপতির ঘরে ওই বৈঠক হয়,  উপস্থিত ছিলেন তারাপীঠ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলা শাসক মৌমিতা গোদারা বসু, জেলা পরিষদে ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি নন্দেশ্বর মণ্ডল, জেলা পরিষদের মেন্টর অভিজিৎ সিংহ-সহ অন্যান্যরা।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে তারাপীঠ উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। মূলত, তারাপীঠ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু করা এবং তারাপীঠ এলাকায় থাকা জেলা পরিষদের  স্টলগুলির বকেয়া ভাড়া আদায় করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বিধানসভা ভোটের আগে তারাপীঠ শ্মশানে বৈদ্যুতিক চুল্লির শিলান্যাস হয়। তারপর, গত বছর সেটি তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়। মূলত, পরিবেশ আদালতের নির্দেশেই ওই চুল্লি তৈরি করা হয়। কিন্তু এখনও সেটি চালু করা যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই চুল্লি চালু করতে প্রয়োজন ন্যূনতম হাজার কেভি বিদ্যুতের। তার জন্য এলাকাতেই গড়তে হবে পৃথক একটি সাব-স্টেশন, যা এখনও তৈরি হয় নি। তাই এদিনের বৈঠকে ওই চুল্লি চালু  করা এবং দেখভালের জন্য আবেদন জানায় তারাপীঠ উন্নয়ন পর্ষদ।

উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন," আমরা জেলা পরিষদের কাছে অনুরোধ করেছি, সাধারণ মানুষের আর্থিক সুবিধা এবং বাকি সমস্তদিক বিবেচনা করে তারাপীঠ মহাশ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লির একটি সুষ্ঠ ব্যবস্থা করা হোক। " জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের  সম্পত্তির তালিকা করতে মাস খানেক আগে এক অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিককে মাথায় রেখে বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। সেই বিশেষ দলের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরে দেখা যায়, যতারাপীঠ এলাকায় জেলা পরিষদের অনেক স্টল রয়েছে। কিন্তু সেই স্টলগুলিতে যাঁরা ব্যবসা করছেন তাঁরা অনেকদিন ধরেই ওই স্টলের ভাড়া দেন নি। সেই বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়েছে। জেলা পরিষদের মেন্টর অভিজিৎ সিংহ জানান , যাঁদের ভাড়া বাকি আছে তাঁদের নোটিশ পাঠানো শুরু হবে।

SUPRATIM DAS

Published by:Rukmini Mazumder
First published: