বচসা ও ধস্তাধস্তিত, বর্ধমানে অস্তিত্ব প্রমাণ করল ধর্মঘটী বাম-কর্মী নেতারা

বচসা ও ধস্তাধস্তিত, বর্ধমানে অস্তিত্ব প্রমাণ করল ধর্মঘটী বাম-কর্মী নেতারা
বর্ধমানে কার্জনগেটের কাছে বামেদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি।

জেলা জুড়ে ধর্মঘট সফল করতে বাম কর্মী সমর্থকরা রাস্তায় নেমেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে গতকালের ঘটনার ব্যাপক প্রভাব পড়বে।

  • Share this:

#বর্ধমান: বর্ধমানের কার্জন গেটে পুলিশের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তিতে জড়াল ধর্মঘটের সমর্থনে পথে নামা বাম কর্মী সমর্থকরা। কলকাতাগামী একটি সরকারি বাস জোর করে আটকে দেয় বনধ সর্মথকরা। পুলিশ সেই বাস অবরোধমুক্ত করতে এগিয়ে গেলে প্রথমে বচসা শুরু হয়। এরপর তা হাতাহাতি পর্যায়ে পৌঁছয়। তবে বাম নেতাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বৃহস্পতিবার বাম ছাত্র যুবদের নবান্ন অভিযানে কলকাতার ধর্মতলায় পুলিশ নির্বিচারে লাঠিপেটা করে বলে অভিযোগ। বিনা প্ররোচনায় পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জের পাশাপাশি জলকামান প্রয়োগ করে,কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে বারো ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল বামফ্রন্ট। সেই ধর্মঘট সফল করতে এ দিন সকালেই বর্ধমান শহরে মিছিল করে বামেরা। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ বর্ধমান শহরের পার্কাস রোডে সিপিএমের জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল বের হয়। কার্জন গেট হয়ে জি টি রোড ধরে বীরহাটা পর্যন্ত মিছিল করে তারা। এরপর ফের কার্জন গেট এসে জি টি রোড অবরোধ করে তারা।


সেই অবরোধে আটকে পড়ে কলকাতাগামী যাত্রীবাহী সরকারি বাস। সেই বাস জোর করে দাঁড় করানোর চেষ্টা হয়। তখন বর্ধমান থানার পুলিশ তাদের বাধা দিলে বনধ সমর্থনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। তবে বাম নেতৃত্ব ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আধঘণ্টার কাছাকাছি সময় কার্জন গেটে জিটি রোড অবরোধ চলে। এরপর বামেদের মিছিল রোডের দিকে চলে যায়।

মিছিল থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলে ধর্মঘটে অংশ নেওয়া বাম নেতাকর্মীরা। বামফ্রন্টের জেলা আহ্বায়ক অমল হালদার বলেন, বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরির দাবি নিয়ে, শিক্ষার দাবি নিয়ে কলকাতায় গিয়েছিলেন। চাকরির বদলে পুলিশের অমানবিক নির্যাতন জুটলো। গোটা রাজ্যের মানুষ টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে তা প্রত্যক্ষ করেছেন। তারই প্রতিবাদে জেলা জুড়ে ধর্মঘট সফল করতে বাম কর্মী সমর্থকরা রাস্তায় নেমেছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে গতকালের ঘটনার ব্যাপক প্রভাব পড়বে।

Published by:Arka Deb
First published: