বর্ধমানে দিনে দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, জ্বলন্ত অবস্থায় বেরিয়ে এলেন দোকানের মালিক

বর্ধমানে দিনে দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, জ্বলন্ত অবস্থায় বেরিয়ে এলেন দোকানের মালিক
এরই মধ্যে কোনও কারণে দোকানের সাটার নেমে যায়। ফলে দোকানের ভেতর ঢোকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এরই মধ্যে কোনও কারণে দোকানের সাটার নেমে যায়। ফলে দোকানের ভেতর ঢোকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • Share this:

Saradindu Ghosh

#বর্ধমান: গোটা শরীরে আগুন নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এলেন এক ব্যবসায়ী। এই ঘটনায় হতচকিত হয়ে পড়েন অন্যান্যরা । তাঁর দেহের পোশাক তখন দাউ দাউ করে জ্বলছিল। আগুন থেকে তাঁকে উদ্ধার করার সময় বাসিন্দারা দেখেন আগুন লেগেছে তাঁর রঙের দোকানের ভেতরেও। বুধবার দুপুরে বর্ধমান শহরের তিনকোনিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। দগ্ধ ওই ব্যক্তিকে তড়িঘড়ি বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দোকানের আগুন নেভাতে উদ্যোগী হন বাসিন্দারা । পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন আয়ত্তে আনে।


বুধবার দুপুরে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে যায় বর্ধমান শহরের তিনকোনিয় এলাকার একটি রঙের দোকান। আগুনে ঝলসে যান দোকানের মালিক। তাঁর নাম সুকুমার অধিকারী। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগুন দেখে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। তাঁরাই যে যার মতো করে আগুন নেভানোর কাজে শুরু করেন। এরই মধ্যে কোনও কারণে দোকানের সাটার নেমে যায়। ফলে দোকানের ভেতর ঢোকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে প্রায় আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা তখন সাড়ে বারোটা। হঠাৎই রঙের দোকানের মালিক সুকুমার অধিকারীকে জ্বলন্ত অবস্থায় দোকান থেকে কোনও রকমে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। অনেকেই তড়িঘড়ি তাঁকে আগুন থেকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। এরপরই দোকানের ভেতরে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে শুরু করে। দগ্ধ সুকুমারবাবুকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে সবাই দোকানের ভেতরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। তার ওপর বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ে। খবর পেয়ে বিদ্যুত দফতরের কর্মীরা এসে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। দমকলের ইঞ্জিন এসে ক্রমাগত জল দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিভাবে এই আগুন লাগল সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দমকল দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন, রঙের দোকান হওয়ায় প্রচুর দাহ্য সামগ্রী ছিল। তাতে আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। অসাবধানে ওই দোকান মালিকের পোশাকে আগুন লেগে গিয়েছিল। তা থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লেগেছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Published by:Simli Raha
First published: